Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● লালমোহনে ভাঙা ব্রিজের ওপর সাঁকো প্রতিদিন মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল ● ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক তারিখ: প্রধানমন্ত্রী ● আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ ● হুথি হেফাজতে জাতিসংঘ কর্মীর মৃত্যু, উদ্বেগ প্রকাশ সংস্থাটির ● তিন মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ৭৪৭ কোটি ডলার ● টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, গুলিতে সেনাসদস্য নিহত ● চলমান আন্দোলন শ্রমিকদের নয়: ডিআইজি ● টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য; আটক ৩, উদ্ধার ৫৭ ● শনিবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ‘কাজ নেই, বেতন নেই’ নীতি কার্যকরের হুঁশিয়ারি ● নারায়ণগঞ্জে ৩ শতাধিক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনিশ্চিত
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

লালমোহনে ভাঙা ব্রিজের ওপর সাঁকো প্রতিদিন মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : শনিবার, ৭ নভেম্বর,২০২৬, ১২:০২ এ এম
লালমোহনে ভাঙা ব্রিজের ওপর সাঁকো প্রতিদিন মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল

১২ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি গার্ডার ব্রিজ, অথচ সেই ব্রিজ দিয়েই চলাচলের নিরাপদ ব্যবস্থা নেই। ভাঙা স্লাবের ওপর সুপারি গাছ ফেলে তৈরি সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ।

ভোলার লালমোহন উপজেলার মোতাহার নগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গণেশপুর এলাকায় নয়া ভাঙ্গানী খালের ওপরের ব্রিজটি দিয়ে ১৬ বছর ধরে এভাবেই চলাচল করছেন কয়েক গ্রামের মানুষ।

স্থানীয়রা বলেন, যাতায়াতের সুবিধার জন্য ২০০৯ সালে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণের এক বছরের মাথায় ২০১০ সালে এর পূর্ব পাশ ও মাঝের অংশের স্লাব ধসে খালে পড়ে যায়। এরপর ১৬ বছরেও সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

বর্তমানে ভাঙা অংশে সুপারি গাছ ফেলে সাঁকো ও কাঠ দিয়ে মই তৈরি করে পারাপার হচ্ছেন স্থানীয়রা। ব্রিজের ওপর মানুষ উঠলেই তা থরথর করে কাঁপতে থাকে। ইতোমধ্যে ব্রিজ থেকে খালে পড়ে শিশুসহ অনেকে আহত হয়েছেন।

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী শান্ত বলেন, ব্রিজ পার হওয়ার সময় মনে হয় এই বুঝি ভেঙে খালে পড়ে যাবে। প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়েই ব্রিজটি পার হতে হয়।

বাসিন্দা বাচ্চু মাতাব্বর, শাহে আলম ও শামছুল হক সিকদার বলেন, ব্রিজ ভাঙার পর থেকে এ পথে অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহন চলতে পারে না। সবচেয়ে বিপাকে পড়তে হয় অসুস্থ রোগী, বয়োবৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের। জরুরি প্রয়োজনে কাউকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে হলে বাঁশ দিয়ে পালকি বানিয়ে ব্রিজ পার করতে হয়।

তাঁরা ব্রিজটি দ্রুত সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের জন্য ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, ওই ব্রিজসহ উপজেলার জরাজীর্ণ ব্রিজগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ করা হবে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)