Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● লালমোহনে ভাঙা ব্রিজের ওপর সাঁকো প্রতিদিন মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল ● ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক তারিখ: প্রধানমন্ত্রী ● আজ রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ ● হুথি হেফাজতে জাতিসংঘ কর্মীর মৃত্যু, উদ্বেগ প্রকাশ সংস্থাটির ● তিন মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ৭৪৭ কোটি ডলার ● টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, গুলিতে সেনাসদস্য নিহত ● চলমান আন্দোলন শ্রমিকদের নয়: ডিআইজি ● টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান, গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য; আটক ৩, উদ্ধার ৫৭ ● শনিবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ‘কাজ নেই, বেতন নেই’ নীতি কার্যকরের হুঁশিয়ারি ● নারায়ণগঞ্জে ৩ শতাধিক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনিশ্চিত
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক তারিখ: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশ : শনিবার, ৭ নভেম্বর,২০২৬, ১২:০১ এ এম
৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক তারিখ: প্রধানমন্ত্রী

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের ঐতিহাসিক দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।

ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। দিবসটি উদ্‌যাপনে সরকার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে ৭ নভেম্বর ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।

তিনি বলেন, ইতিহাসের চর্চায় সর্বদা মগ্ন থাকা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি ভবিষ্যৎ নির্মাণে ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নেওয়াও ঐতিহাসিক ভুল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে একদলীয় স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, তাদের পরাজয় ঘটেছিল।

তারেক রহমান বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, পরাজিত সেই অপশক্তি পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মহাজোটের নামে একজোট হয়ে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। পিলখানায় পরিকল্পিত সেনা হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর গৌরব ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছিল। জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিয়ে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। হাজারো শহীদের আত্মত্যাগ এবং ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের সংগ্রাম ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। ২০২৪ সালের মতো ১৯৭৫ সালেও সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নেমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছিল।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কেউ যেন দেশ ও জনগণের অধিকার হরণ করতে না পারে এবং বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে না পারে, ৭ নভেম্বরের প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত সেটিই। এ অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।

তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা ধারণ করতে হবে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধ, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের বিপ্লব, ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন।

বাণীতে তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক ও গণতন্ত্রকামী জনগণের অঙ্গীকার হোক, ‘দিল্লি নয়, পিণ্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদ্‌যাপনের সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়।’

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)