Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● নারায়ণগঞ্জে ৩ শতাধিক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনিশ্চিত ● চরফ্যাশনে সরাসরি প্রদর্শিত হলো ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ● নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ● হুথিদের কর্মকাণ্ডে ইয়েমেনের সংকট, নৌপথে হুমকি ● আজকের শিশু-কিশোররাই দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধানমন্ত্রী ● ৭ নভেম্বর পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা ● হত্যা মামলায় কারাগারে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ● নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ● এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন ● ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৫৯৬
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

নারায়ণগঞ্জে ৩ শতাধিক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনিশ্চিত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর,২০২৬, ১২:৩৭ এ এম
নারায়ণগঞ্জে ৩ শতাধিক কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনিশ্চিত

চলতি বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার তিন শতাধিক কিন্ডারগার্টেনের প্রায় ৪ হাজার শিক্ষার্থী। যথাসময়ে পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই কেবল এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। ফলে বড় একটি অংশের শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ অবস্থায় বৈষম্য এড়াতে সব শিক্ষার্থীর জন্য বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদানকারী ৪৯১টি কিন্ডারগার্টেন ও উচ্চবিদ্যালয়-সংযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদন করেছে মাত্র ১১০টির মতো প্রতিষ্ঠান। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো যথাসময়ে আবেদন করতে না পারায় সেসব বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ বছর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না।

আবেদন করতে না পারা কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা জানান, সরকারের নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করে আবেদন সম্পন্ন করতে আরও সময় প্রয়োজন ছিল। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের আবেদনে বিলম্বের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মেধা যাচাইয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তাদের মতে, সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত না হলে প্রকৃত মেধা যাচাইও সম্ভব হবে না।

মিজমিজি এলাকার হাজী সামছুদ্দিন হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, পাঠদানের অনুমতির আবেদনের জন্য প্রথমে সোনালী ব্যাংকে তিন হাজার টাকা জমা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করেন। কিন্তু অনলাইনে ফি পরিশোধ না করায় আবেদন গ্রহণ করা হয়নি। পরে উপজেলা অফিসে যোগাযোগ ও দৌড়ঝাঁপের পর অনলাইনে আবারও তিন হাজার টাকা জমা দিয়ে আবেদন সম্পন্ন করেন। তবে এখন পর্যন্ত তার বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত হতে পারেননি।

বাতানপাড়া এলাকার জিয়াউল হক কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক জিয়াউল হক জানান, সরকারি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা পাঠদানের অনুমতির আবেদন করেছেন। তবে নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদন করায় এ বছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। এতে শিক্ষার্থীরা হতাশ হয়েছে। মেধা যাচাইয়ের স্বার্থে সবার অংশগ্রহণে বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের দাবি জানান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কিন্ডারগার্টেন পরিচালক বলেন, শিক্ষার পরিবেশ ও মানের নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অভিভাবকরা সন্তানদের কিন্ডারগার্টেনে পড়াচ্ছেন। এমনকি সরকারি স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অনেকেও সন্তানদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবর্তে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করছেন। তাই নতুন নিয়মের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে বৃত্তি পরীক্ষা থেকে বাদ না দিয়ে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা উচিত।

পঞ্চম শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, প্রতিষ্ঠান পরিচালকদের সরকারি নিয়ম মেনে আবেদন করতে বিলম্ব হতে পারে। কিন্তু এর দায় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা কেন নেবে? শুধু আবেদনের সময়সীমা পার হওয়ার কারণে তাদের মেধা যাচাইয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়। এ বছর বিশেষ বিবেচনায় সব শিক্ষার্থীকে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি সরকারি নীতিমালা আরও সহজ ও সময়োপযোগী করার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফ উদ্দিন বিপ্লব জানান, উপজেলায় ৪৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ১১০টির মতো প্রতিষ্ঠান যথাসময়ে পাঠদানের অনুমতির জন্য আবেদন করেছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত সময়ে আবেদন করতে না পারায় নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুল, আদর্শ হাই স্কুল ও সিদ্ধিরগঞ্জের পিডিবি স্কুলসহ অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না। অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক আবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, মেধা যাচাইয়ের জন্য সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ প্রয়োজন। তবে এ বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই। সরকারি সিদ্ধান্ত সবাইকে মেনে চলতে হবে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)