ইবি প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বিএনসিসি নৌ শাখার নতুন ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মুহিবুল্লাহ নোমান (ক্যাডেট নং- ২৪৫৩১১৬২)। আগামী এক বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র-নজরুল কলা অনুষদের গগণ হরকরা ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সুন্দরবন রেজিমেন্টের রেজিমেন্ট কমান্ডার লে. কর্নেল মাসুদ রায়হান এবং বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. আব্দুল বারী তাকে র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনা প্লাটুনের সামরিক প্রশিক্ষক সার্জেন্ট আসলাম রুবেল , নৌ শাখার সামরিক প্রশিক্ষক পেটি অফিসার মোঃ মাসুদ রানা, নৌ প্লাটুনর মহিলা শাখার সিইউও বৃষ্টি আক্তার, সেনা শাখার ক্যাডেট সার্জেন্ট মো. মোসাদ্দেক হোসেন, ক্যাডেট সার্জেন্ট অদিতি ঢালীসহ বিএনসিসির অন্যান্য ক্যাডেটরা।
জানা যায়, গত ১১ জুন খুলনা ফ্লোটিলায় অনুষ্ঠিত পদোন্নতি পরীক্ষায় লিখিত, ড্রিল, অস্ত্র পরিচালনা, কমান্ড এবং মৌখিক পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে মুহিবুল্লাহ নোমানকে নির্বাচিত করা হয়। এর মাধ্যমে তিনি খুলনা ফ্লোটিলার অধীনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি নৌ শাখার পুরুষ প্লাটুনের সর্বোচ্চ ক্যাডেট পদে অধিষ্ঠিত হলেন।
নবনিযুক্ত সিইউও মুহিবুল্লাহ নোমান বলেন, “আজকের দিনটি আমার জীবনের অন্যতম গৌরবময় দিন। বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর দ্বিতীয় সারির সংগঠন বিএনসিসির সর্বোচ্চ সম্মানজনক ক্যাডেট পদে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি। এজন্য মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও বলেন, “ক্যাডেট আন্ডার অফিসারের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং। ন্যায়, সততা ও শৃঙ্খলাকে ধারণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি নৌ শাখাকে আরও এগিয়ে নিতে চাই। আল্লাহ যেন আমাকে এই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের তাওফিক দান করেন।”
উল্লেখ্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি নৌ প্লাটুন খুলনা ফ্লোটিলার অধীনস্থ একটি সুনামধন্য ইউনিট। জাতীয় দিবসের প্যারেড, ফ্লোটিলা ক্যাম্প এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে প্লাটুনটি নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রেখে আসছে।
নবনির্বাচিত সিইউও মুহিবুল্লাহ নোমান উইং ক্যাম্পিং ২০২৪-২৫-এ অংশগ্রহণ, উইং ক্যাম্পে ভলিবল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসের প্যারেড ও ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন দায়িত্ব সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।