Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: সম্ভাবনা, ভারসাম্য ও ভবিষ্যৎ আবারও চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা জুনের ২৪ দিনেই দেশে এলো ২৩১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স বন্ধুত্বের উষ্ণ মুহূর্তে মুগ্ধ করলেন পূর্ণিমা জলবায়ু ন্যায়বিচারে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতের দাবি চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে: রিজভী আশুরার চেতনায় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র আশুরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়: রাষ্ট্রপতি চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ২ চুক্তিসহ ১৩ সমঝোতা স্মারক সই খামেনির শেষ বিদায়ে মোদিকে আমন্ত্রণ, কূটনৈতিক দোটানায় ভারত
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

আশুরার দিনের ফজিলত ও আমল

মুহা. সিয়াম

প্রকাশ : বুধবার, ২৪ জুন,২০২৬, ১১:০৪ পিএম
আশুরার দিনের ফজিলত ও আমল

পবিত্র আশুরা (১০ মহররম) ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। এ দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো রোজা রাখা। হাদিসে এসেছে, আশুরার রোজা বিগত এক বছরের সগিরা (ছোট) গুনাহের কাফফারা হিসেবে বিবেচিত হয়।

কুরআনের নির্দেশনা
যদিও পবিত্র কুরআনে সরাসরি ‘আশুরা’ শব্দটি উল্লেখ নেই, তবে মহররম মাসকে সম্মানিত চার মাসের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

“নিশ্চয়ই আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাসের সংখ্যা বারোটি, আসমান ও জমিন সৃষ্টির দিন থেকে। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত।”
— (সূরা আত-তাওবাহ: ৩৬)

আশুরার রোজার ফজিলত

হজরত আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

“আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা রাখি, তিনি এর বিনিময়ে আগের এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।”
— (সহিহ মুসলিম)

মুসা (আ.)-এর মুক্তির স্মৃতি

হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) মদিনায় এসে দেখলেন ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখছে। কারণ জানতে চাইলে তারা জানায়, এদিন আল্লাহ তাআলা হজরত মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের জুলুম থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন এবং ফেরাউন ও তার বাহিনীকে সাগরে ডুবিয়ে ধ্বংস করেছিলেন।

তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন—

“মুসার অনুসরণে তাদের চেয়ে আমরাই বেশি হকদার।”

এরপর তিনি নিজে রোজা রাখেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন।
— (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)

৯ ও ১০ অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা

ইহুদিদের সঙ্গে সাদৃশ্য পরিহারের জন্য রাসূলুল্লাহ (সা.) আশুরার সঙ্গে আরও একটি দিন মিলিয়ে রোজা রাখার উৎসাহ দিয়েছেন। তাই উত্তম হলো—

৯ ও ১০ মহররম রোজা রাখা, অথবা
১০ ও ১১ মহররম রোজা রাখা।

হাদিসে এসেছে—

“আমি যদি আগামী বছর জীবিত থাকি, তবে অবশ্যই ৯ মহররমও রোজা রাখব।”
— (সহিহ মুসলিম)

আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন। এ দিনে রোজা রাখা, নফল ইবাদত করা, তওবা-ইস্তিগফার করা এবং আল্লাহর রহমত কামনা করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। ৯ ও ১০ মহররম অথবা ১০ ও ১১ মহররম রোজা পালন করা সুন্নতের অনুসরণ এবং অধিক সওয়াবের মাধ্যম।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)