নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ছবি:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানিয়েছেন।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, “পবিত্র আশুরা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সবাইকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে আরও নিবেদিত হতে হবে।
বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখে পালিত পবিত্র আশুরা ইসলামের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এটি শুধু শোক ও স্মরণের দিন নয়, বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ এবং নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা বহন করে।
তারেক রহমান বলেন, কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যা যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পক্ষে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিতে অনুপ্রাণিত করে আসছে।
তিনি আরও বলেন, মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং আদর্শের প্রতি অবিচল থাকার যে শিক্ষা কারবালা দিয়েছে, তা আজও সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরণার উৎস। প্রায় ১৪শ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের এক অবিনাশী প্রতীকে পরিণত করেছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনায় শাহাদাতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
এ ছাড়া তিনি এই শোকাবহ দিনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং পবিত্র আশুরার শিক্ষা মানবকল্যাণ, ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় পথপ্রদর্শক হোক বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।