আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উত্তর ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোরে এসব হামলার পর এরবিল, সোরান ও খালিফানসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এরবিলের আকাশে একটি ড্রোন ভূপাতিত করে। একই সময়ে ইরান সীমান্তসংলগ্ন সোরান জেলার আকাশে আরও তিনটি ড্রোন গুলি করে ধ্বংস করা হয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত এসব হামলায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার উৎস বা এর দায় এখনো কেউ স্বীকার করেনি।
এর আগে, ১৭ জুলাই কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার (কেআরজি) তাদের ভূখণ্ডে ইরানের হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তেহরানকে এ ধরনের সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছিল।
দীর্ঘদিন ধরে ইরান এরবিল ও সুলাইমানিয়ায় অবস্থানরত বিরোধী কুর্দি গোষ্ঠীর ঘাঁটি, মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং এরবিলে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন সময় হামলা চালিয়ে আসছে।
সম্প্রতি সুলাইমানিয়ায় ইরানের সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত কুর্দি বিরোধী দল কোমালা রেভোলিউশনারি টয়লার্স অর্গানাইজেশনের একটি ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় সংগঠনটির আট সদস্য নিহত হন।
সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার পর উত্তর ইরাকের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য নতুন হামলা ঠেকাতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।