Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

জাতীয় সংকটে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অনন্য: প্রধানমন্ত্রী বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা ঐতিহ্য সংরক্ষণে বাংলাদেশে ১০ লাখ ডলারের বেশি বিনিয়োগ যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মানুষকে মশা কেন বেশি কামড়ায়? শাহ আমানতে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী আটক এবার ফাইনালে ওঠার লড়াই, মুখোমুখি স্পেন-ফ্রান্স ও আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড হজের ব্যয় কমাতে সৌদির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ জামাল ভূঁইয়ার সাথে ফুটবলপ্রেমীদের দেখা করার স্বপ্ন সত্যি করছে অপো দেশীয় বস্ত্র রপ্তানিতে নগদ সহায়তা বেড়ে ৫ শতাংশ আগামী জুনের মধ্যে ৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: প্রধানমন্ত্রী
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কিছু মানুষকে মশা কেন বেশি কামড়ায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : সোমবার, ১৩ জুলাই,২০২৬, ০৮:১৯ পিএম
কিছু মানুষকে মশা কেন বেশি কামড়ায়?

একই জায়গায় বসে থাকলেও দেখা যায়, একজনকে মশা বারবার কামড়াচ্ছে, অথচ পাশের মানুষটি প্রায় অক্ষত থাকছেন। অনেকেই মজা করে নিজেদের ‘মস্কিটো ম্যাগনেট’ বলে থাকেন। তবে এটি শুধু রসিকতার বিষয় নয়; এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা।

বিজ্ঞানীদের মতে, মশা মানুষের শরীর থেকে নির্গত বিভিন্ন সংকেত শনাক্ত করে শিকার নির্বাচন করে। বিশেষ করে নিঃশ্বাসের সঙ্গে বের হওয়া কার্বন ডাইঅক্সাইড, শরীরের তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং ত্বকের স্বাভাবিক গন্ধ—এসবই নির্ধারণ করে কে মশার কাছে বেশি আকর্ষণীয় হবে।

কার্বন ডাইঅক্সাইডের ভূমিকা
সব মশা মানুষের রক্ত খায় না; শুধু স্ত্রী মশাই ডিমের বিকাশের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। তারা প্রায় ১০ মিটার দূর থেকেই মানুষের নিঃশ্বাসে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড শনাক্ত করতে পারে।

যেহেতু প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ শিশুদের তুলনায় বেশি কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করেন, তাই মশা তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়।

শরীরের তাপ ও ঘাম
মশা শরীরের তাপ এবং আর্দ্রতার প্রতিও অত্যন্ত সংবেদনশীল। গর্ভবতী নারীদের শরীরের বিপাকীয় হার ও তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় তারা সাধারণ নারীদের তুলনায় বেশি মশার শিকার হতে পারেন।

একইভাবে ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের পর শরীরে ঘাম ও তাপমাত্রা বেড়ে গেলে মশার আকর্ষণও বৃদ্ধি পায়। বড় গড়নের মানুষের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা যায়।

ত্বকের গন্ধ ও জিনগত প্রভাব
মশা শরীরের কাছাকাছি এলে ত্বকের স্বাভাবিক গন্ধের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে শিকার নির্বাচন করে।

মানুষের ত্বকে থাকা অণুজীব বিভিন্ন উপাদান ভেঙে উদ্বায়ী জৈব যৌগ তৈরি করে, যা মশাকে আকর্ষণ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু মানুষের ত্বকে কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। এ কারণে তারা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি মশার কাছে আকর্ষণীয় হতে পারেন।

বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, এ বৈশিষ্ট্যের একটি বড় অংশ বংশগত বা জিনগতভাবে নির্ধারিত হয়। যমজদের ওপর পরিচালিত গবেষণাতেও এ তথ্যের প্রমাণ মিলেছে।

কেন কারও বেশি চুলকায়?
অনেক সময় মনে হয় মশা শুধু একজনকেই বেশি কামড়াচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এর একটি কারণ হলো শরীরের প্রতিক্রিয়ার পার্থক্য।

মশার কামড়ে কারও শরীরে তীব্র চুলকানি, ফোলা ও বড় লাল চাকা দেখা দেয়, আবার কারও ক্ষেত্রে সামান্য লাল দাগ ছাড়া তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া হয় না। যাদের শরীরে প্রতিক্রিয়া বেশি হয়, তারা স্বাভাবিকভাবেই মনে করেন মশা তাদেরই বেশি কামড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
মশার কামড় থেকে বাঁচতে—

মশারি ব্যবহার করুন।
মশা নিরোধক (রিপেলেন্ট) ব্যবহার করুন।
ঘরের আশপাশে জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখুন।
সন্ধ্যা ও ভোরে বাইরে থাকলে শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরুন।
ঘাম হলে দ্রুত শরীর পরিষ্কার ও শুকনো রাখার চেষ্টা করুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মশা কাকে বেশি কামড়াবে, তা মূলত শরীরের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য, তাপমাত্রা, নিঃশ্বাসের ধরন এবং জিনগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে। তাই এটি শুধু কাকতালীয় নয়, বরং বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যাত একটি স্বাভাবিক বিষয়।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)