নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশীয় বস্ত্র ও তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের রপ্তানি আরও উৎসাহিত করতে নগদ সহায়তার হার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য এ খাতে রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা আগের ১ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর মাধ্যমে গত ৫ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপনের সংশোধন আনা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশীয় উৎপাদিত কাঁচামালের ব্যবহার বৃদ্ধি, রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা জোরদার এবং বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাতকে আরও শক্তিশালী করতেই নগদ সহায়তার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাক সুবিধার বিকল্প হিসেবে এ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। এতে বিশেষ করে তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্প ইতিবাচকভাবে উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তবে এ সুবিধা পেতে রপ্তানিকারকদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ অথবা সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য রপ্তানিকারকদের দেশীয় উৎস থেকে সুতা, কাপড়সহ প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সংগ্রহের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, এ সংশোধনের ক্ষেত্রে ২০০১ ও ২০০৩ সালের বৈদেশিক মুদ্রা সার্কুলারে বর্ণিত অন্যান্য নির্দেশনা ও বিধান আগের মতোই বহাল থাকবে।
নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার বাড়বে, উৎপাদনশীলতা উন্নত হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।