Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

আমাদের উচিত ব্রেকআপের পর পার্টি করা: জেনিফার ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে তাপপ্রবাহের শঙ্কা, ৪৬ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে তাপমাত্রা খামেনির জানাজায় সাড়ে ৩ কোটি মানুষের সমাগমের প্রস্তুতি ইরানের সুন্দরবন, জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবাধিকার নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের জন্য সম্মাননা পেলেন সাইফুল ইসলাম কবির বাংলা কিউআর কোডে ২ দিনে ২২ কোটি টাকার লেনদেন চরমোনাইয়ে প্রতিষ্ঠাতা আমীরের কবর জিয়ারত, ছাত্রদের কাছে দোয়া চাইলেন মহাসচিব বিশ্বকাপে আজ দুই কিংবদন্তির ভাগ্য নির্ধারণের রাত ২ কোটি ২৩ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হয়েছে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শুধু মানুষ নয়, প্রাণীদের জন্যেও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়বে সরকার ঈশ্বরগঞ্জে সেতুর পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ইবিতে 'রিটেক' পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষক নিয়োগে বিতর্ক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন নিয়মতান্ত্রিক

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই,২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
ইবিতে 'রিটেক' পরীক্ষা ঘিরে শিক্ষক নিয়োগে বিতর্ক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন নিয়মতান্ত্রিক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক নিয়োগে  প্রার্থীর  'ইমপ্রুভমেন্ট'  পরীক্ষা দেওয়া নিয়ে সম্প্রতি কিছু মহলে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হলেও, বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ইতিবাচক ও নিয়মতান্ত্রিক হিসেবে দেখছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র  শিক্ষক ও প্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।

‎তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মেনে দেওয়া কোনো রিটেক পরীক্ষা প্রার্থীর মেধার ঘাটতি নির্দেশ করে না, বরং এটি শিক্ষার্থীদের একটি আইনি অধিকার। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলীর সাথেও এর কোনো সংঘর্ষ নেই।

‎​সম্প্রতি ইবির আইসিটি বিভাগের প্রফেসর  ড. জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী ফিরোজা নাজনীনের নিয়োগের অভিযোগে বলা হয়, তিনি শিক্ষার্থী থাকাকালে প্রথম বর্ষের একটি কোর্সে অকৃতকার্য হন এবং পরে রিটেক পরীক্ষা দেন। এছাড়া ড. জাহিদুল ইসলাম পরীক্ষা কমিটির সভাপতি থাকাকালে তার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন আনা হয়।

‎প্রফেসর ড. জাহিদুর ইসলাম অভিযোগের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একে 'সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন' বলে দাবি করেছেন।
‎তিনি আরও বলেন ​"২০০৬ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আমি পিএইচডি প্রোগ্রামে বিদেশে ছিলাম এবং আমাদের বিয়ে হয়েছে ২০১৪ সালে। সে যখন ছাত্রী ছিল, তখন ফ্যাকাল্টি হিসেবে আমি একটি কমিটিতে থাকলেও বিয়ের সময় কোনো কমিটিতে ছিলাম না, এমনকি তার কোনো ক্লাসও নিইনি। একটি পরীক্ষা কমিটিতে আরও চারজন সদস্য থাকেন, সেখানে একা কোনো শিক্ষকের পক্ষে নম্বর পরিবর্তন করা অসম্ভব।

‎​সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ফিরোজা নাজনীনও জানান, তিনি একজন সাধারণ প্রার্থী হিসেবে সার্কুলারের সকল শর্ত পূরণ করেই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।

‎ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষার বিষয়ে  জানতে চাইলে অর্থনীতি বিভাগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মোস্তফা আরিফ বলেন, অনেকে কাঙ্খিত মার্ক অর্জন করতে পারবে না জন্য চারটি প্রশ্নের চমৎকার উত্তর লিখলেও পঞ্চম প্রশ্নে যেয়ে সম্পূর্ণ খাতাই সে কেটে দিয়েছে এবং পরবর্তীতে রিটেক দিয়ে কাঙ্খিত ফল অর্জন করেছে।
‎আবার অনেকেই আছে নিয়মিত পড়াশোনা করেনা ফলে বাধ্যতামূলকভাবে রিটেক দিতে হয়। একপাক্ষিকভাবে শুধু দূর্বল শিক্ষার্থীই রিটেক দেয় এভাবে বলার সুযোগ নেই। শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা প্রত্যাশা করি যে সম্পূর্ণ 'নীট এন্ড ক্লিন' কেওই আসুক। তবে বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি অনুমোদন দিলে কারো কিছু বলার নেই।

‎ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, রিটেক একটা অধিকার। কেও অসুস্থতার কারণে বা অন্য কোন কারণে পরীক্ষা দিতে না পারলে সে রিটেক দিবে না?
‎দ্বিতীয়ত, রিটেক থাকলে অ্যাপ্লাই করতে পারবে না—এমন কোন শর্ত না থাকলে, তাকে অযোগ্য বলা যাবে না; যেহেতু নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে রিটেকের ব্যাপারে কিছু বলা ছিলো না। নিয়োগ হওয়ার পর এসব বলা হচ্ছে মূলত মানুষকে দোষারোপ করার জন্য, আর কিছু না।

‎হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনত রিটেকের সুযোগ দিয়েছে। সে অনুযায়ী কেউ চাইলেই এটা দিতে পারে। এর মানেই সে খারাপ ছাত্র এমন না। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী কারোর যদি সেকেন্ড ডিভিশন ও থাকে, সে পরে ইমপ্রুভ দিতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় এই আইন তৈরি করে না দিলে তো কেও রিটেক দিতো না। সেক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগ বা চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে এটা বাঁধা হওয়া উচিত না।

‎জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, কোনন রিটেক বা ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষা কখনোই কোন শিক্ষার্থীর দূর্বলতা চিহ্নিতের মানদন্ড বোঝায় না। সারাবছর ভালো পড়াশোনা করা সত্বেও পরীক্ষার দিন কোন শিক্ষার্থী মারাত্মক অসুস্থ হতে পারে, দূর্ঘটনা ঘটতে পারে, পরীক্ষায় উপস্থিতও নাও হতে পারে। এছাড়াও আনুষঙ্গিক কারণে পরীক্ষা খারাপ হতে পারে। যার ফলাফল আশানুরূপ হয়নি, সে পরবর্তীতে মানোন্নয়ন পরীক্ষা দিতেই পারে। এর মানেই যে সেই শিক্ষার্থী দূর্বল, তা মনে করার কোন কারণ নেই।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন প্রশাসক অধ্যাপক ড. নুরুন নাহার বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিয়ে যারা চান্স পেয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই মেধাবী। রিটেক দিয়েছে মানে এই নয় যে সে খারাপ ছাত্র। রিটেক দেওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কেউ অসুস্থ হতে পারে, পারিবারিক সমস্যার হতে পারে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি থাকতে পারে এবং অমনোযোগিও হতে পারে৷  যেকোনো মুহূর্তে একজনের সাথে যেকোনো দুর্ঘটনা ও ঘটতে পারে। এই একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে তার সামগ্রিক শিক্ষাজীবনকে বিচার করা যাবে না। রিটেকের জন্য খারাপ ছাত্র বললে অবিচার হবে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)