নিজস্ব প্রতিবেদক
জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০০ অসহায় মানুষকে প্রায় ৮ কোটি টাকার অনুদান দিতে ৫৩ কোটি টাকারও বেশি প্রশাসনিক ও পরামর্শক ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় কাঠামো নিয়ে।
রোববার (৫ জুলাই) দৈনিক কালবেলার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নগর একীভূতকরণ সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ এবং স্বাগতিক সম্প্রদায়কে সহায়তা প্রদান (ইন্টিগ্রেট)’ শীর্ষক প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। জার্মান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জিআইজেড) অর্থায়নে ১ বছর ৯ মাস মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রকল্প অনুযায়ী, খুলনা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের জলবায়ু বাস্তুচ্যুত ৩০০ জনকে ৮ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে। তবে বাকি ৫৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয় হবে পরামর্শক নিয়োগ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, অফিস ভাড়া, প্রশিক্ষণ, ভ্রমণ ও অন্যান্য প্রশাসনিক খাতে।
নথি অনুযায়ী, মাত্র ৩০০ উপকারভোগীর জন্য ৪৭৩ জন দেশি-বিদেশি পরামর্শক নিয়োগে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ কোটি ৬২ লাখ ৬২ হাজার টাকা। এছাড়া বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণে ৩ কোটি ৫১ লাখ, অভ্যন্তরীণ ভ্রমণে ১ কোটি ২৭ লাখ, প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় ১০ কোটি এবং অফিস ভাড়ায় ৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত পরামর্শক ও প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, এটি দাতা সংস্থা জিআইজেডের শর্ত অনুযায়ী তৈরি একটি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প। তাই ব্যয়ের কাঠামো নির্ধারণে তাদের স্বাধীনতা সীমিত ছিল।