Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মহিপুরে নদীর পাড়ের সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ জুন,২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
মহিপুরে নদীর পাড়ের সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

পটুয়াখালীর মহিপুরে নদীর পাড়ের সরকারি খাস জমি দখল করে রাতারাতি ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিপুর বাজারের কাঠপট্টি রোড সংলগ্ন নদীর তীরবর্তী সরকারি খাস জমিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) গভীর রাতে ঘর নির্মাণ করা হয়। এ ঘটনায় ফারুক হোসেন (পিতা- মোস্তফা, মহিপুর) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে খালি থাকা নদীর পাড়ের ওই জমি হঠাৎ করেই দখল করে সেখানে ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি মহলের সহায়তায় অবৈধ অর্থের বিনিময়ে সরকারি জমি দখলের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী জানান, মহিপুর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য বন্দর। প্রতিদিন শত শত সামুদ্রিক মাছ ধরার ট্রলার নদীর তীরে নোঙর করে। নদীর পাড় দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হলে ট্রলার নোঙরের স্থান সংকুচিত হবে এবং জেলেদের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তাদের মতে, নদীর তীর দখল অব্যাহত থাকলে একদিকে সরকারি খাস জমি বেহাত হবে, অন্যদিকে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও নাব্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে ভবিষ্যতে মহিপুর মৎস্য বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে প্রভাবশালী মহল নদীর তীর দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছে। ফলে নদীর প্রস্থ কমে গেছে এবং অনেক এলাকায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ফাতরার চর সংলগ্ন খালগোড়ার সাগর মোহনা ক্রমেই ভরাট হয়ে যাওয়ায় বড় জাহাজ ও লঞ্চ চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে।

এ অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা মহিপুর ভূমি অফিস, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা সরকারি খাস জমি দখলমুক্ত করে নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ও মৎস্য বন্দরের কার্যক্রম রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)