Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

কলকাতায় জয়ার জয়জয়কার জামায়াতে যোগ দিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চালু হবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আপনি মন্ত্রী হয়েছেন: হাসনাত বিডা, বেজা, পিপিপি কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত, সংসদে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ বিল পাস জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিলো ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ যুক্তরাষ্ট্রকে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি বিয়ে করেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল? ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জাতীয় রপ্তানিতে বেপজার অবদান ১৭.৫১ শতাংশ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সামনে বড় সংঘাতের ইঙ্গিত

হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের আগে ট্রাম্পের সমর্থন চেয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই,২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
হুতিদের বিরুদ্ধে অভিযানের আগে ট্রাম্পের সমর্থন চেয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ

ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর আগে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক সমর্থন চেয়েছিলেন এবং তা পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হুতিদের সঙ্গে সংঘাত আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই সামরিক পদক্ষেপের আগে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিশ্চিত করতে চেয়েছিল রিয়াদ।

সোমবার সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের বিমান হামলা এবং এর জবাবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় ২০২২ সালের পর দুই পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় সীমান্ত-অতিক্রমী উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে কার্যকর থাকা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতিকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

পূর্ণমাত্রার সংঘাত আবার শুরু হলে তা শুধু ইয়েমেন নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিদ্যমান উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, গত সপ্তাহে সৌদি আরব ওয়াশিংটনকে জানায় যে তারা হুতিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন প্রত্যাশা করছে।

এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে সৌদি রাষ্ট্রদূত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরদিন রুবিও টেলিফোনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে আলোচনা করেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

এক মার্কিন কর্মকর্তার দাবি, ওই আলোচনায় হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে ট্রাম্পের সমর্থন চান সৌদি যুবরাজ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাতে সম্মতি জানান।

তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। পরিবর্তে তারা ফক্স নিউজে দেওয়া ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারের কথা উল্লেখ করে, যেখানে তিনি ইরানের কঠোর সমালোচনা করেন। অন্যদিকে ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাসও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।

প্রায় ১০ দিন আগে ইরানের মাহান এয়ারের একটি উড়োজাহাজ হুতি নিয়ন্ত্রিত সানায় অবতরণ করার পর থেকেই নতুন করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। ওই বিমানে হুতি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ছিলেন, যারা ইরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়ে ফিরছিলেন।

এক দশকের বেশি সময় পর ইরান থেকে সানায় সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হওয়ায় সৌদি আরব উদ্বেগ প্রকাশ করে। রিয়াদের আশঙ্কা, এসব ফ্লাইটের মাধ্যমে হুতিদের কাছে অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ কিংবা ইরানের সামরিক উপদেষ্টা পৌঁছে দেওয়া হতে পারে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা দাবি করেন, মাহান এয়ার ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-সংশ্লিষ্ট একটি বিমান সংস্থা, যার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

হুতিদের অভিযোগ, প্রথমে সৌদি যুদ্ধবিমান ওই উড়োজাহাজকে সানায় অবতরণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে তারা সতর্ক করে জানায়, একই ধরনের ঘটনা ঘটলে সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে।

সোমবার হুতি প্রতিনিধিদল নিয়ে ইরান থেকে ফেরার পথে মাহান এয়ারের উড়োজাহাজটি সানার দিকে অগ্রসর হলে সৌদি বাহিনী বিমানবন্দর এলাকায় হামলা চালায়। এতে বিমানটি গতিপথ পরিবর্তন করে লোহিত সাগর উপকূলীয় আল-হুদাইদাহ শহরে অবতরণ করে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই উড়োজাহাজে হুতিদের জন্য অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সামরিক বিশেষজ্ঞ বহন করা হচ্ছিল।

এর জবাবে হুতিরা সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আবহা বিমানবন্দরের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করে। পাশাপাশি তারা সতর্ক করে জানায়, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কোনো বিমান সংস্থারই সৌদি আকাশসীমা ব্যবহার করা উচিত হবে না।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)