Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

কলকাতায় জয়ার জয়জয়কার জামায়াতে যোগ দিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চালু হবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ ফার্মের মুরগিরা রাস্তায় এসেছে বলেই আপনি মন্ত্রী হয়েছেন: হাসনাত বিডা, বেজা, পিপিপি কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত, সংসদে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ বিল পাস জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিলো ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বিস্ফোরণ যুক্তরাষ্ট্রকে আইআরজিসির হুঁশিয়ারি বিয়ে করেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল? ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জাতীয় রপ্তানিতে বেপজার অবদান ১৭.৫১ শতাংশ ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তন রুখতে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

এমসি কলেজ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

সিলেট প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই,২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
এমসি কলেজ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলায় প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন।

রায়ে প্রধান আসামি সাইফুর রহমান (২৮)-কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

এছাড়া মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ও অর্জুন লস্কর (২৬)-কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে রবিউল ইসলাম (২৫), মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫), আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল (২৬) এবং মিজবাউল ইসলাম রাজন (২৭)-কে অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামীর সঙ্গে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে গেলে এক গৃহবধূকে জোরপূর্বক ছাত্রাবাসে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।

পরদিন ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরাণ থানায় সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা এ ঘটনার পর তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাব আটজনকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্তে গ্রেপ্তার আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, মাহবুবুর রহমান রনি ও অর্জুন লস্কর ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ধর্ষণে সহায়তার কথা স্বীকার করেন।

তদন্তে ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের নমুনার মিল পাওয়া যায়। ঘটনার দুই মাস আট দিন পর, ২০২০ সালের ৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। মামলায় ভুক্তভোগী, তার স্বামী, তদন্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক এবং এমসি কলেজের অধ্যাপকসহ ২৪ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ঘটনার রাতে সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা হয়। এছাড়া ভুক্তভোগীর স্বামীর কাছে চাঁদা দাবি ও গাড়ি ছিনতাইয়ের অভিযোগেও পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালত অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)