স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) টানা তৃতীয় দিনের মতো রাজধানীর মিরপুরে সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। সকালে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ স্টেশনে ট্রেন থামা বন্ধ রাখা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দুপুরে স্টেশন দুটিতে আবারও ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
এ সময় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ স্টেশনে কোনো ট্রেন থামেনি। অন্য স্টেশনগুলোতে যাত্রী ওঠানামা স্বাভাবিক ছিল।
ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ নম্বর স্টেশনে ট্রেন থামা বন্ধ করে দেওয়া হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন দুটির সব গেটও বন্ধ রাখা হয়। ফলে ওই সময় কোনো যাত্রী স্টেশনে প্রবেশ করতে পারেননি এবং ট্রেন না থামায় কেউ নামতেও পারেননি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আবারও স্টেশন দুটিতে ট্রেন থামতে শুরু করে।
এর আগে সকাল ১০টার কিছু পর পোশাকশ্রমিকেরা আবারও সড়কে নামেন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা মিরপুর-১১ মেট্রো স্টেশনের নিচে পড়ে থাকা কাঠ ও বাঁশে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে নিচের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে নিরাপত্তার কারণে মেট্রোরেলের স্টেশন দুটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষ থামে।
ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, মেট্রোরেল পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্টেশন দুটি বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে গত রোববারও কাজীপাড়া, মিরপুর-১০ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন দুই ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ রাখা হয়েছিল। ডিএমটিসিএল এ ব্যবস্থাকে স্টেশন ‘স্কিপ’ করা বলে অভিহিত করে। অর্থাৎ মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও নির্দিষ্ট স্টেশনে ট্রেন থামবে না এবং সেখানে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ থাকবে।