Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর ভিত্তিহীন: প্রেস কর্মকর্তা ● প্রতিদিন কাঁধে ভারী ব্যাগ, অজান্তেই বাড়ছে শরীরের ঝুঁকি ● রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ● ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করতে চান ট্রাম্প ● অফশোর গ্যাস অনুসন্ধানে ডাটার দাম কমাল পেট্রোবাংলা ● ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ● বার্সেলোনা ম্যাচের আগে চোটে ছিটকে গেলেন নুনো মেন্ডেস ● দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার বার্তা নিয়ে লালমোহনে স্বেচ্ছাসেবকদলের লিফলেট বিতরণ ● বিপজ্জনক রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণে রটারডাম কনভেনশনে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ ● জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : রবিবার, ১৮ অক্টোবর,২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
হামলার আশঙ্কায় অস্ত্র উঁচিয়েছিলাম: ইশরাক হোসেন

মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ঘটনাকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, হামলার আশঙ্কা ও নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে তিনি এবং তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তারের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এতে ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে খণ্ডিত ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেন ইশরাক।

বিবৃতিতে তিনি জানান, গত ১৭ অক্টোবর রাজধানীর গেণ্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও আশপাশের এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে অভিযোগ পেয়ে আসছিলেন তিনি।

ইশরাকের ভাষ্য, গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সহিংসতায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভাও করেন। মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাকে আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেওয়া হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

অস্ত্র প্রদর্শনের ব্যাখ্যায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র থেকে নিরাপত্তাঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল। মাদক কারবারিরা ছাদ থেকে গুলি চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা ছিল।

তাঁর দাবি, কর্মসূচির একপর্যায়ে একটি অস্থায়ী মাদকের আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। সম্ভাব্য হামলা এবং জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে আত্মরক্ষার্থে অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। প্রদর্শিত অস্ত্র যথাযথ কর্তৃপক্ষের দেওয়া লাইসেন্সপ্রাপ্ত বলেও দাবি করেন তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, পরে গেণ্ডারিয়া থানা-পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। ইশরাকের দাবি, অভিযানে চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থান থেকে হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদক, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ও ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ সময় ছয়জনকে আটক করে জব্দ করা আলামতসহ গেণ্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে অসন্তোষ
ঘটনাটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে কয়েকটি গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, অভিযানের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট, পুলিশের ভূমিকা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য এবং ছয়জনকে আটকের বিষয়টি উপেক্ষা করে শুধু তাঁর অস্ত্র হাতে থাকার দৃশ্যকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইশরাক বলেন, খণ্ডিত তথ্য ও ছবি দিয়ে সংবাদ পরিবেশন স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিপন্থি। সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে ইশরাক বলেন, ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করা তাঁর অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। কোনো ঘটনাকে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন থামানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জনস্বার্থে ভবিষ্যতেও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)