Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় অর্থনীতিকে সহনশীল করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী ● ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্প কমিটির সভাপতি ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ● চরফ্যাশনে পাউবোর জমিতে অবৈধ স্থাপনা, ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ ● সরকারি কেনাকাটা ও দরপত্র স্থগিত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ ● ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত দাম্মাম-রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট স্থগিত ● বর্তমান সরকার পরামর্শ গ্রহণের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ● মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের ঘোষণা বাংলাদেশের ● ডিপফেক ভিডিও নিয়ে ক্ষুব্ধ মেহজাবীন ● ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ● জলবায়ু অর্থায়নে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে দরিদ্র দেশগুলো, জার্মানির আপত্তি
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

জলবায়ু অর্থায়নে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে দরিদ্র দেশগুলো, জার্মানির আপত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর,২০২৬, ১২:১৫ পিএম
জলবায়ু অর্থায়নে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে দরিদ্র দেশগুলো, জার্মানির আপত্তি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে আরও অর্থায়নের দাবি জানিয়েছে বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো। তবে এ খাতে জলবায়ু তহবিলের পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জার্মানির শীর্ষ জলবায়ু কর্মকর্তা। আগামী মাসে তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১-এর আগে এ নিয়ে অর্থায়ন বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে।

সোমবার বার্লিনে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড হেলথ সামিটের এক আলোচনায় মৌরিতানিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ড. সিদি এল মোকতার বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের ০.৫ শতাংশেরও কম স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তীব্রতর হওয়া স্বাস্থ্যসংকট মোকাবিলায় মৌরিতানিয়াসহ স্বল্পোন্নত দেশগুলো কীভাবে আরও অর্থ পেতে পারে, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জাতিসংঘের জলবায়ু আলোচনায় স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোটের পক্ষে অভিযোজনবিষয়ক আলোচনায় অংশ নেওয়া এই কর্মকর্তা বলেন, “আমরা ফরাসিতে বলি, le financement, c’est le nerf de la guerre।” ফরাসি এই প্রবাদটির অর্থ, অর্থই যুদ্ধের প্রাণশক্তি। তিন দশকের বেশি সময় ধরে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনগুলোতে অর্থায়ন নিয়ে বিরোধ যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বোঝাতেই তিনি কথাটি উল্লেখ করেন।

তবে জার্মানির পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের স্টেট সেক্রেটারি ইয়োখেন ফ্লাসবার্থ এ পরিসংখ্যান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি এই পরিসংখ্যান নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলব।”
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২১ সালে প্রথম এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছিল। গত বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত কপ-৩০ সম্মেলনেও এটি উদ্ধৃত হয়েছিল।

হেলথ পলিসি ওয়াচের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো স্বাস্থ্য খাতে অভিযোজনের জন্য বছরে প্রায় ৫০ কোটি থেকে ৭০ কোটি ডলার অর্থায়ন পায়। এটি অভিযোজন তহবিলের প্রায় ২ শতাংশ এবং বহুপক্ষীয় জলবায়ু অর্থায়নের প্রায় ০.৫ শতাংশের সমান।

ফ্লাসবার্থ বলেন, “আমরা যখন জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনের জন্য কাজ করি, তখন তার প্রভাব স্বাস্থ্য খাতেও পড়ে।” তিনি আরও বলেন, “কিন্তু যদি হিসাবটি সীমিত করে হাসপাতাল, চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানসহ সরাসরি স্বাস্থ্য খাতে কত অর্থ যাচ্ছে, তা দেখা হয়, তাহলে সেই পরিমাণ আরও কম হতে পারে।”

অর্থায়নের হিসাব নিয়ে বিতর্ক
আলোচনার মাঝপথে অন্য একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে ফ্লাসবার্থ চলে যাওয়ায় বিতর্কটি আর এগোয়নি। তবে আগামী মাসে কপ-৩১ সম্মেলনে স্বাস্থ্য খাতের জন্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করার প্রশ্নটি আবারও সামনে আসতে পারে।

ধনী দেশগুলোর সরকার জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার অংশ হিসেবে তুলে ধরছে। অন্যদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মুখসারিতে থাকা দেশগুলো বলছে, তাপপ্রবাহ, বন্যা ও রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ক্লিনিক, ওষুধ ও টিকা সংরক্ষণের শীতল সরবরাহব্যবস্থা এবং রোগ নজরদারি কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না।
গত বছর ব্রাজিলের বেলেমে কপ-৩০ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ব্রাজিল সরকারের প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে স্বাস্থ্য খাতের অভিযোজন ব্যয় ২০৩৫ সালের মধ্যে বছরে ২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের বেশি হতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তন প্রশমনের সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতের সম্পর্কের বিষয়ে ফ্লাসবার্থের বক্তব্যের পক্ষে পরিবেশগত ঝুঁকির উদাহরণ রয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর কারণে সৃষ্ট বায়ুদূষণে প্রতিবছর প্রায় ৫০ লাখ মানুষের অকালমৃত্যু হয়। কার্বন নিঃসরণ কমানো গেলে কয়েক বছরের মধ্যেই স্বাস্থ্যগত বড় সুফল পাওয়া এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো সম্ভব।

আলোচনায় সভাপতিত্ব করা লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের পরিবেশগত পরিবর্তন ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক অধ্যাপক অ্যান্ড্রু হেইনস বলেন, “আপনি যেভাবেই হিসাব করুন না কেন, অদূর ভবিষ্যতে সম্ভাব্য সুফলের পরিমাণ অনেক বড় হবে। বিপজ্জনক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমানোর সুফলের বাইরেও এই সুবিধা পাওয়া যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “স্বাস্থ্য শুধু চিকিৎসা খাতের বিষয় নয়। স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক ও পরিবেশগত বহু বিষয়ের প্রভাব রয়েছে।”
কপ-৩১-এ অর্থায়ন নিয়ে কঠিন লড়াইয়ের আশঙ্কা

কপ-৩১ সম্মেলনে স্বল্প আয়ের দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়নের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের দর-কষাকষি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে স্বাস্থ্য খাতের জন্য আনুষ্ঠানিক আলোচনার আলাদা কোনো ধারা না থাকায় বড় অঙ্কের অর্থায়ন নিশ্চিত করা কঠিন হতে পারে।

জার্মানির পরিবেশ ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের গত সপ্তাহের যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটি ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়নে কেন্দ্রীয় বাজেট থেকে ৪৭০ কোটি ইউরো দিয়েছে। ২০২৪ সালে এ অর্থের পরিমাণ ছিল ৬১০ কোটি ইউরো। ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকা সরকারগুলো বছরে ৬০০ কোটি ইউরো দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গত বছরের বরাদ্দ ছিল তার চেয়ে কম। ওই বিবৃতিতে স্বাস্থ্য খাতের কথা উল্লেখ করা হয়নি।

গত সপ্তাহে ফিজিতে কপ-৩১-পূর্ববর্তী বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ুবিষয়ক কমিশনার উয়পকে হুকস্ট্রা সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা স্পষ্টতই যথেষ্ট করছি না।” এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা ধনী দেশগুলোর কাছে আরও অর্থায়নের দাবি জানান।

হুকস্ট্রা বলেন, “আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্বে শিল্পপূর্ব সময়ের তুলনায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরিমাণ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর অর্থ, আমরা যে বিশ্বকে চিনি, তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার প্রশ্নে কথা বলছি।”

তুরস্কের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ৯ নভেম্বর সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে একটি স্বাস্থ্যবিষয়ক দিবস আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে। এ ছাড়া সম্মেলনের সভাপতিত্বকারী দেশের কর্মপরিকল্পনায় ১০টি বিষয়ের একটি হলো ‘গতিশীল ও সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা’। তবে এটি আনুষ্ঠানিক আলোচনার বাইরে একটি স্বেচ্ছামূলক উদ্যোগ।

স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়নের বিষয়টি জলবায়ু আলোচনায় যুক্ত করার প্রচেষ্টা সম্পর্কে মৌরিতানিয়ার ওই আলোচক বলেন, “কিছু অগ্রগতি হয়েছে। তবে এসব আলোচনাকক্ষে আমাদের আরও কণ্ঠস্বর প্রয়োজন।”
একই তহবিলের জন্য প্রতিযোগিতা

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনইপি) হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ২০৩৫ সালের মধ্যে বছরে ৩১ হাজার কোটি থেকে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে জলবায়ু সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত। অথচ ২০২৩ সালে এসব দেশে আন্তর্জাতিক সরকারি উৎস থেকে অভিযোজন অর্থায়ন এসেছে মাত্র ২৬০০ কোটি ডলার, যা আগের বছরের ২৮০০ কোটি ডলারের চেয়ে কম।

বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক সাহায্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা কমে আসায় অবশিষ্ট অর্থ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় নতুন নতুন তহবিল গড়ে উঠছে।

গত মে মাসে কার্যকর হওয়া প্যাসিফিক রেজিলিয়েন্স ফ্যাসিলিটির লক্ষ্য ৫০ কোটি ডলার সংগ্রহ করা। তবে গত সপ্তাহে ফিজির নাদিতে অনুষ্ঠিত কপ-পূর্ববর্তী বৈঠকে দেশটি অতিরিক্ত ১ কোটি ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার আগে পর্যন্ত তহবিলটিতে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল বলে এএফপি জানিয়েছে।

২০২৩ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ সম্মেলনের অন্যতম বড় অর্জন ছিল ফান্ড ফর রেসপন্ডিং টু লস অ্যান্ড ড্যামেজ। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এ তহবিলে ৮২ কোটি ২০ লাখ ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এলেও জমা পড়েছে মাত্র ৪৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এখনো কোনো অর্থ বিতরণ করেনি তহবিলটি। এরপরও আগামী বছরের শুরুতেই এতে অর্থের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে ক্লাইমেট হোম নিউজ। প্রচারকর্মীদের হিসাবে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় বছরে ৪০ হাজার কোটি ডলার পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে গঠিত প্যান-ইউরোপীয় কমিশন অন ক্লাইমেট অ্যান্ড হেলথের সাবেক চেয়ার ও আইসল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ক্যাটরিন ইয়াকবসদোত্তির বলেন, “বিশ্বজুড়ে সরকারগুলোর অগ্রাধিকারের তালিকায় জলবায়ু বিষয়টি নিচের দিকে নেমে গেছে।” তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে তাতে জলবায়ু সংকটের বাস্তবতা বদলে যায়নি।

ঋণের বোঝায় স্বাস্থ্য খাত আরও চাপে
অর্থায়নের সংকট আরও বাড়াচ্ছে উন্নয়ন ব্যাংকগুলোর ঋণনির্ভর সহায়তা। স্বাস্থ্য খাতে অভিযোজনের জন্য এসব ব্যাংকের দেওয়া অর্থের ৯০ শতাংশেরও বেশি আসে ঋণ হিসেবে, অনুদান হিসেবে নয়। ঋণ পরিশোধে আগে থেকেই চাপে থাকা নিম্ন আয়ের দেশগুলোর জন্য এটি বড় বাধা।

ঋণসংকটের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোতে ২০১৯ সালের পর থেকে শিক্ষা খাতে সরকারি ব্যয় ৮ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য খাতে ১ শতাংশ কমেছে বলে রোববার প্রকাশিত এক গবেষণায় জানিয়েছে প্রচারাভিযানকারী সংগঠন ডেট জাস্টিস। ইউনেসকোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১১৩টি উন্নয়নশীল দেশে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যয় হয়েছে শিক্ষা খাতের ব্যয়ের চেয়েও বেশি অর্থ।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মৌরিতানিয়া ২০২৪ সালে সরকারি বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে ৩৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার ব্যয় করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো স্বাস্থ্য খাতে অভিযোজনের জন্য এক বছরে যে অর্থ পায়, এই অঙ্ক তার অর্ধেকেরও বেশি।

সেনেগালের প্রচারগোষ্ঠী ফ্রাপের (FRAPP) সদস্য সুলেমান গেয় বলেন, “সেনেগালে আমাদের রাজস্বের অর্ধেক চলে যায় ঋণদাতাদের কাছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত মিলে পায় মোট রাজস্বের মাত্র এক-চতুর্থাংশ।”

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)