Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ৭ দিনে প্রাণ গেল ২০ জনের শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই টেকনাফে একদিনে ভেসে এলো তিন মরদেহ বাংলাদেশ-মিশর যৌথ মিডিয়া ফোরাম গঠনের প্রস্তাব মেসিদের বাড়তি সুবিধা, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান সবুজ ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী মিশরের প্রতি সংহতি জানিয়ে মরক্কোর এক্স পোস্ট ভাইরাল শপথ নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটি পদে পদে জালিয়াতি এশিয়ান গ্রুপের, কর ফাঁকি ৭৯২ কোটি আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই,২০২৬, ১০:২৯ এ এম
হাইকোর্টের রায়ে সংবিধানে ফিরলো গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান বাতিলের বৈধতা নিয়ে বহুল আলোচিত মামলায় হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হলো বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে টানা তিন দিন শুনানি শেষে বুধবার আপিল বিভাগ রায়ের জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করেছিলেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিলের অনুমতি দেন। পরে গত ৩ নভেম্বর রিটকারী সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া আপিল দায়ের করেন। আপিলে পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরো আইন বাতিলের আবেদন জানানো হয়।

এর আগে, গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এবং গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করেন। তবে পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী আইন বাতিল করা হয়নি।

রায়ে হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ দেন, গণতন্ত্র সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ এবং তা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে বিকশিত হয়। আদালতের মতে, দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জনআস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল।

হাইকোর্ট আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশার ভিত্তিতে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে। বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনীর ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজিত সংবিধানের ৭ক, ৭খ এবং ৪৪(২) অনুচ্ছেদও বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিলকারী পঞ্চদশ সংশোধনীর ৪৭ ধারাও সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী উল্লেখ করে বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এর ফলে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিদ্যমান গণভোটের বিধান পুনর্বহাল হয়।

তবে আদালত রায়ে স্পষ্ট করেন, পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। অবশিষ্ট বিধানগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদ প্রয়োজন অনুযায়ী জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সংশোধন, পরিমার্জন বা পরিবর্তন আনতে পারবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করে। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল, শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীতকরণসহ সংবিধানের ৫৪টি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)