আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে রাজধানী তেহরানে নেমেছে মানুষের ঢল। তাঁর জানাজা ও সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে দেশজুড়ে লাখো মানুষ রাজধানীতে জড়ো হয়েছেন। আয়োজকদের আশা, পুরো শোকানুষ্ঠানে এক কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নেবেন।
আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরুর আগেই হাজারো মানুষ প্রার্থনা কমপ্লেক্সের বাইরে অবস্থান নেন। অনেকেই রাতভর অপেক্ষা করেছেন, যাতে দরজা খুলতেই ভেতরে প্রবেশ করে প্রিয় নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারেন।
অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, “আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা যেমন মধুর, তেমনি বেদনাদায়কও।”
অনেকের মতে, দেশের জন্য খামেনির অবদানের তুলনায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা কোনো ত্যাগই নয়।
এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, “তাঁকে বিদায় জানাতে কোনো ধরনের কমতি রাখা উচিত নয়।”
আরেক শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, “১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়। মনে হচ্ছে, আমরা নিজের পরিবারের একজন সদস্যের শোকানুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি।”
এদিকে খামেনির সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন। তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত এই নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
সূত্র: আলজাজিরা।