স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে শুধু ফেল করা বিষয়গুলোতে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। এ বছর এক ও দুই বিষয়ে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সচিবালয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।
২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫১ দশমিক ৬২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন।
বর্তমানে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে তাকে পরবর্তী বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এ ক্ষেত্রে শুধু অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে অথবা ইচ্ছা করলে সব বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকে।
তবে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করতে হয়। এতে শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়তি মানসিক চাপও তৈরি হয়। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে।
এদিকে, এইচএসসি পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ ও উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, পুরো আবেদনপ্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।