নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশব্যাপী ৪ হাজার ৪৬০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরুরি মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য ৬৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের ‘অন্যান্য ভবন ও স্থাপনা’ খাত থেকে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ-রাজস্ব বিভাগের সহকারী পরিচালক সেলিনা আখতারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরাদ্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের (আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা) নিয়ন্ত্রণে দেওয়া হয়েছে। তারা নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে অর্থ উত্তোলন ও ব্যয় করতে পারবেন।
নির্দেশনায় আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোর মেরামত ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজের মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন না হলে বা কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম ও গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং স্কুল ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) দায়ী থাকবেন।
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারের প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান ও নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। ভ্যাট পরিশোধের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ, বিল-ভাউচার যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ এবং অডিটের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
বরাদ্দকৃত অর্থের কোনো অংশ অব্যয়িত থাকলে তা আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি বরাদ্দ, ব্যয় এবং অব্যয়িত অর্থের হিসাব-নিকাশ নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ কার্যক্রম সরাসরি তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলীদের।