Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

ত্রিশালে অবৈধ টোল আদায় বন্ধ করলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান বিএমইটির বিরুদ্ধে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের হয়রানির অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর লাওসের ভিসা পাবেন না বাংলাদেশি শ্রমিকরা জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ সভাপতি মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ নগ্ন বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক, দুই লাখের বেশি ফলোয়ার হারালেন সিডনি সুইনি ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বজয়ী কোরআন হাফেজদের সাক্ষাৎ মুক্তাগাছায় ৩ টন সার জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা রংপুর অভিমুখী লংমার্চে কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না: গোলাম পরওয়ার
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১০:৩০ পিএম
জ্বালানি সংকটে কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ সভাপতি

জ্বালানি সংকটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি বলে জানিয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে জ্বালানি সংকটের প্রকৃত প্রভাব বুঝতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, গত কয়েক দিনের তুলনায় বর্তমানে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। বিদ্যুৎ বা জ্বালানি সংকটের কারণে কোনো কারখানা বন্ধ হয়নি। তবে জ্বালানি সংকটের প্রকৃত অভিঘাত বোঝা যাবে আরও অন্তত তিন মাস পর।

মাহমুদ হাসান খান বলেন, পোশাকশিল্পে কোনো সংকটের প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না। একটি কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্তও একদিনে নেওয়া সম্ভব নয়। পাইপলাইনে থাকা অর্ডার সম্পন্ন করা, শ্রমিকদের আইনগত ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং ব্যাংকের চলমান দায়দায়িত্বসহ নানা বিষয় বিবেচনা করে একটি কারখানা বন্ধ করতে প্রায় ছয় মাসের পরিকল্পনা প্রয়োজন হয়।

তিনি বলেন, বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে জ্বালানি সংকটের কারণে কোনো কারখানা বন্ধ হয়নি। তবে এর প্রকৃত প্রভাব বোঝা যাবে আগামী তিন থেকে চার মাস পর। একই সঙ্গে ছয় মাস বা এক বছর আগের কোনো ঘটনা বা দুর্ঘটনার কারণে এখন কোনো কারখানা বন্ধ হলে সেটিকে বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে বন্ধ হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে মাহমুদ হাসান খান বলেন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় ডাইং, ওয়াশিংসহ ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ খাত মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল। তবে সম্প্রতি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর শিল্পে গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং তা কার্যকরও হয়েছে।

তিনি জানান, স্বাভাবিক সময়ে পোশাক কারখানাগুলো সাধারণত ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা কাজ করে। কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হয়েছে এবং বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করতে হয়েছে। এতে ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বেড়েছে। তারপরও সময়মতো পণ্য পাঠাতে উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, গ্যাস সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে একটি প্রেজেন্টেশন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী দুই বছরের মধ্যে জ্বালানি সমস্যার বড় ধরনের সমাধান সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)