ইবি প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই ৩৬ হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে হল প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে হলটির প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন। এছাড়াও প্রশাসনের অন্যান্য কর্তাব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, একটি উন্নত সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে নারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ১৯৯১ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অষ্টম শ্রেণী এবং পরবর্তীতে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করার যে সিদ্ধান্ত ছিল, তার ইতিবাচক ফলাফল আজকের সমাজে দৃশ্যমান হচ্ছে। আমি অনুপ্রাণিত হই যখন আমি ক্লাসে যাই। আমার ক্লাসে ছেলে শিক্ষার্থীর চেয়ে মেয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। একটি সময় ছিল নারী সমাজকে সবসময় পশ্চাৎপদ অবস্থায় রাখা হতো। তাদের ঘরের বাইরে পড়তে দেওয়া হতো না।
তিনি জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়া বিতর্ক চর্চাকে পুনরুজ্জীবিত করতে ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়, হল ও বিভাগভিত্তিক বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।বিতর্ক প্রতিযোগিতা একজন শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশ, চিন্তাশীলতা এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা রাখে
এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ফ্যান, লাইট বন্ধ রাখা ও হিটার ব্যবহারে সচেতন হতে নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, অনুষ্ঠান শুরুর পূর্বে উপাচার্য জুলাই -৩৬ হলের রিডিং রুম উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের স্মৃতিকে ধারণ করে শিক্ষার্থীরা একটি জুলাই নাটিকা উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানের শেষে গতকাল বিকাল ৩টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন বিষয়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।