Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

সোমবার বরিশাল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী কনসার্টের মঞ্চে বাগদানের ঘোষণা ‘ধুরন্ধর’ গায়িকার হামে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশে খাদ্যপণ্য পাঠাবে পাকিস্তান, নেবে পাট ও পাটজাত পণ্য সংসদ চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত জমির উদ্দিন সরকার প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ বিভাগে ট্যালেন্টপুলে ২১০৬ জন, সাধারণ কোটায় ৩৫৯৯ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত ‎ জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লালমোহন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ জ্বালানির আগুনে পুড়ছে পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধির স্বপ্ন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে শোক
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

লালমোহন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ১২ জুলাই,২০২৬, ০৮:১৮ পিএম
লালমোহন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ

ভোলার লালমোহন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে বিভিন্ন সেবা নিতে ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অফিসের সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন খাতে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন একাধিক শিক্ষক। অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহে আলমের নামও এসেছে। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালে শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষকের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৫৮৯ জন শিক্ষক এ ভাতা পেয়েছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, এ খাত থেকেই কয়েক লাখ টাকা অবৈধভাবে আদায় করা হয়েছে। নির্ধারিত অর্থ না দিলে অনেকের ভাতার আবেদন প্রক্রিয়াকরণ হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, অফিস থেকে ফোন করে শ্রান্তি বিনোদন ভাতার আবেদনপত্রের সঙ্গে ‘অফিস খরচ’ বাবদ ৫০০ টাকা জমা দিতে বলা হয়। তিনি টাকা না দিয়ে শুধু আবেদন জমা দেওয়ায় ভাতা পাননি বলে দাবি করেন।

অপরদিকে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন শিক্ষক জানান, বিদ্যালয়ের স্লিপের অর্থ বরাদ্দের জন্য ৫ হাজার টাকা, অসুস্থতা ও মাতৃত্বকালীন ছুটি অনুমোদনের জন্য ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা, স্যালারি সীটের জন্য দুইশত টাকা, পেনশনের ফাইলের জন্য ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা, শিক্ষকদের টিএ বিলের জন্য দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। এসব খাতের ঘুষের অর্থও আদায় করেন শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. বিল্লাল হোসেন। ঘুষের নির্ধারিত অর্থ না দেয়া হলে কোনো কাজ ঠিকমতো হয় না।

অভিযোগের ব্যাপারে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ঘুষের বিনিময়ে আমি কোনো কাজ করিনি। আমি নিয়মের মধ্যে থেকেই সব কাজ করছি। শ্রান্তি বিনোদনের দরখাস্তগুলো আমি শিক্ষক পলাশ স্যারকে দিয়েছি। তিনি যেগুলো আমাকে দিয়েছেন আমি সেগুলো অনলাইনে পোষ্টিং দিয়েছি। যাদের নাম বাদ পড়েছে সেগুলো পলাশ স্যারে বলতে পারবেন।

লালমোহন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহে আলম বলেন, অফিসের অনলাইনের সব কাজ বিল্লাল হোসেন করেন। কারও কাছ থেকে তিনি ঘুষ নিয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই। শ্রান্তি বিনোদনের জন্য টাকা নেয়ার বিষয়টি আমি জানিনা। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন একাউন্স অফিসে টাকা দিতে হয় এজন্য হয়তো টাকা নিতে পারে। স্কুল ও ক্লাস চলাকালীন সময়ে শিক্ষকগণ কিভাবে অফিসে বসে থাকেন এমন প্রশ্নের কোনো সদোত্তর জবাব তিনি দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে ভোলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, এসব অভিযোগগুলো অত্যন্ত হতাশাজনক। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আমরা দায়ি ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)