নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে দাফন করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ আসর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে সংসদ ভবন সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
দ্বিতীয় জানাজায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিসহ সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
দুর্যোগপূর্ণ বৈরী আবহাওয়ার কারণে মরদেহ নিজ জেলা পঞ্চগড়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের পাশের কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে রোববার ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় তিনি বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) গভীর শোক প্রকাশ করেন। এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধান বিচারপতি, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম, সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন আইনজীবী সংগঠন এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পৃথক শোকবার্তায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।