নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ছবি:
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে সফরটি ঘিরে কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন বা জনসভার পরিকল্পনা নেই। বর্ষাকালীন আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় রেখে শুধুমাত্র একটি সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে ঢাকা থেকে বরিশালে পৌঁছাবেন এবং কর্মসূচি শেষে একই দিন ঢাকায় ফিরে যাবেন।
বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী সফরকে ঘিরে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় চান না। তাই তোরণ নির্মাণ বা জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কোথাও সফরে গেলে শত শত গেট বা তোরণ নির্মাণে যে অর্থ ব্যয় হয়, সেটি অপচয়। তাই এ ধরনের আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
বরিশাল জেলায় জাতীয় সংসদের ছয়টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সফরকে ঘিরে উৎসাহ দেখা গেছে।
বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহিন বলেন, সাংগঠনিক সভায় বরিশালের উন্নয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে বরিশাল সড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং ভোলার গ্যাস বরিশালে সরবরাহের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন জানান, প্রধানমন্ত্রী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন।
অন্যদিকে সফরকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল হান্নান।
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।”
সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কীর্তনখোলা নদীতীরের বধ্যভূমি খালপাড় এলাকায় একটি গাছের চারা রোপণ করবেন। একই সময়ে সেখানে প্রায় ৫০০ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি পালন করা হবে। বাকি চারাগুলো বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা রোপণ করবেন।