Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ● সাড়ে ৩ লাখ ডলারেই মিলবে আর্জেন্টিনার নাগরিকত্ব ● ডিএমপির ১১ পুলিশ পরিদর্শককে বদলি ● সিন্ডিকেট ধরতে সেপ্টেম্বরের এলপিজি বিক্রির তথ্য চেয়েছে বিইআরসি ● ৩-৪ গুণ দামে জ্বালানি কিনতে বাধ্য হচ্ছি: তথ্যমন্ত্রী ● রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ● দু-একটি অঘটনের কারণে আলেম সমাজকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় ● যুক্তরাষ্ট্রের দুই ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতায় নতুন পথচলা মিথিলার ● কর্মকর্তাদের নিজ বাসভবনে সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর ● ওনাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন ঢাকাওয়াচ সম্পাদক সাখাওয়াত সজীব
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ ফরিদীর বিরুদ্ধে প্রবাসী সাংবাদিকের গুরুতর অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : শনিবার, ১৫ আগস্ট,২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ ফরিদীর বিরুদ্ধে প্রবাসী সাংবাদিকের গুরুতর অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ (পিএস-১) মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় গোপন, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য এবং প্রশাসনে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট আব্দুর রব ভুট্টোর একটি বিস্তারিত ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

লন্ডন থেকে পরিচালিত ‘লন্ডন বাংলা চ্যানেল’-এর কর্ণধার আব্দুর রব ভুট্টো তাঁর পোস্টে ডিজিএফআই-এর রিপোর্টের বরাত দিয়ে ফরিদীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগ সামনে এনেছেন।

ওই ফেসবুক পোস্টে দাবি করা হয়েছে, ২৪তম বিসিএস-এর কর্মকর্তা ফরিদী নিজেকে বুয়েটের সাবেক ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও তিনি মূলত ইসলামী ছাত্রশিবিরের 'গুপ্ত নেতা' ছিলেন। সাবেক শিবির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জুর একটি উদ্ধৃতি ব্যবহার করে এই দাবি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডিজিএফআই-এর রিপোর্টের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি স্বরাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ছাত্রজীবনের সাথে বিএনপির রাজনীতির তাঁর কোনো প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা ছিল না।

পোস্টটিতে জনপ্রশাসনে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের জোর সুপারিশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি উইংয়ে উপসচিব হিসেবে যোগ দিয়ে ফরিদী ব্যাপক তদবির ও অর্থ উপার্জন করেছেন। বলা হয়েছে, তিনি লটারির নামে নিজস্ব সিন্ডিকেট তৈরি করে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে ব্যাপক রদবদল করেছেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে প্রায় ৮৫ শতাংশ ডিসি-ইউএনও পদে জামায়াত-সমর্থিত বা গুপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাঁরই হাত দিয়ে, যা এনএসআইয়ের রিপোর্টেও উঠে এসেছে বলে পোস্টে দাবি করা হয়। এছাড়া, বিএনপির নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত বা দলীয় পছন্দের পদায়নেও তিনি বিভিন্ন সময়ে বাধা সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে ফরিদীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট স্বজনপ্রীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, তিনি তাঁর ভগ্নিপতি (১৮ বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডারের আতাউর) যিনি কাজের দিক থেকে অযোগ্য, তাঁকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব এবং পরবর্তীতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে পদায়ন করিয়েছেন। এছাড়া, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের ফ্লোরিডা সফরের প্রস্তাব নাকচ সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর একটি ফাইলের মন্তব্য তিনি নিজে লিখে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস করে দিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ফরিদী মূলত ইকোনমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের কোণঠাসা করে রেখেছেন। তিনি প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদায়নে ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রাধান্য দিচ্ছেন, যার ফলে প্রশাসন ক্যাডারে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এছাড়া, গত ৬ মাস ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব পদে কাউকে নিয়োগ দিতে না দিয়ে তিনি একাই মুখ্যসচিব, সচিব এবং পিএস-১ এর ক্ষমতা ভোগ করছেন বলে পোস্টে দাবি করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদীর বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। সরকারি ওয়েবসাইটের 'ব্যক্তিগত অনুবিভাগ' অংশে তাঁর ছবিসহ নাম (মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী), পদবি (প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১, যুগ্মসচিব) এবং অফিসের নাম (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) উল্লেখ থাকলেও ইমেইল, ফোন (অফিস), মোবাইল নম্বর বা ফ্যাক্স-এর ঘরগুলো সম্পূর্ণ ফাঁকা রয়েছে। কোনো যোগাযোগের নম্বর না থাকায় অভিযুক্ত এই কর্মকর্তার মন্তব্য এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)