নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর শূন্য হওয়া রাষ্ট্রপতির পদে কে আসছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে। সংবিধান অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ প্রেক্ষাপটে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস-এর নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধানিক পদে ড. ইউনূসের নাম আলোচনায় আসার পেছনে রয়েছে তার আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও এ আলোচনায় প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন তারা। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ভেতর থেকেও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে। আলোচনায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, রুহুল কবির রিজভী এবং বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাষ্ট্রপতি পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সংবিধান ও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসরণ করেই যথাসময়ে রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
তবে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি পদে কোনো ব্যক্তি বা নাম চূড়ান্ত হয়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভিন্ন নাম নিয়ে আলোচনা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তাই আলোচনায় থাকা নামগুলোকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।