Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● বিএনপি প্রতিশ্রুতি দেয়, প্রতিশ্রুতি রাখে ও বাস্তবায়ন করে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ● ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১,৯৭০ ● আলিফ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি, ৪ দফা কর্মসূচি ঘোষণা ● অটোগ্যাসের দামও বাড়ল, রাত থেকে কার্যকর ● যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অ্যামচ্যামের ● মঙ্গলবার শপথ নেবেন মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামান ● বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী আইসিটিমন্ত্রী ● সরকারি এলপিজির দাম বাড়ল ১০৮৩ টাকা ● কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ● ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

আলিফ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি, ৪ দফা কর্মসূচি ঘোষণা

কাফনের কাপড়ে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

সজীব রাজভর বিপিন, সিনিয়র রিপোর্টার

প্রকাশ : সোমবার, ২ নভেম্বর,২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
আলিফ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবি, ৪ দফা কর্মসূচি ঘোষণা

নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যার বিচার ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার দাবিতে কাফনের কাপড় পরে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকরা। একই সঙ্গে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে গ্রেপ্তার এবং মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে নেত্রকোনা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় জেলা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের ময়মনসিংহ বিভাগীয় ইউনিট, নেত্রকোনা জেলা ইউনিট এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সেল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর সম্পাদক খায়রুল আলম রফিক, পরিচালক মোহাম্মদ আলী আবির, সভাপতি ইয়াহিয়া আরিফ, কার্যকরী সভাপতি সজীব রাজভর বিপিন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুর ইসলাম রাব্বি, দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক মো. মোহন মিয়া, সাংবাদিক মো. রফিকুল ইসলাম, সমকালের কেন্দুয়া উপজেলা প্রতিনিধি সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা এবং নিহত সাংবাদিক আলিফের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম ফকির।

বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় একটি পরিবার যেমন স্বজন হারিয়েছে, তেমনি দেশের সাংবাদিক সমাজের নিরাপত্তাও গভীর সংকটে পড়েছে। আলিফ সীমান্ত এলাকার চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন। এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশের কারণেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে করেন বক্তারা।

তাঁরা বলেন, সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে হত্যার মতো ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। কোনো আসামি যেন আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারেন, সে বিষয়েও প্রশাসনকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

মানববন্ধন থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—হত্যাকাণ্ডে জড়িত সব আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার, ১৫ দিনের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর এবং ৯০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করে দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।

মানববন্ধন শেষে সাংবাদিক নেতারা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলামের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় পুলিশ সুপার তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন, মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি মূল পরিকল্পনাকারীকেও আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উত্রাইল বাজারসংলগ্ন তেলনজিয়া এলাকায় গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তিনি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ পরিচালনা করতেন। ওই পেজে তিনি সীমান্ত এলাকার চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করতেন।

এ ঘটনায় নিহত আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ পর্যন্ত মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ রোববার গ্রেপ্তার হওয়া ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন ও মো. সাব্বির আহম্মেদ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের জবানবন্দিতে তাজুল ইসলামকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)