আন্তর্জাতিক ডেস্ক
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির জন্য বিকল্প ও নিরাপদ পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে ইরাক ও সিরিয়ার মধ্যকার বহু বছর ধরে অচল থাকা একটি তেল পাইপলাইন পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।
জানা গেছে, ইরাকের কিরকুক থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর শহর বানিয়াস পর্যন্ত বিস্তৃত পুরোনো পাইপলাইনটি পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কয়েক দশক ধরে বন্ধ থাকা এই পাইপলাইনটি বর্তমানে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এটি কার্যকর করতে হলে প্রায় পুরো পাইপলাইন নতুন করে নির্মাণ করতে হতে পারে, যা শেষ হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে।
ইরাক সরকারের অনুমোদনের পর যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি কোম্পানি এবং একটি কাতারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম পাইপলাইন প্রকল্পের কারিগরি ও আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। তবে এখন পর্যন্ত এটি চূড়ান্ত নির্মাণ চুক্তি নয়; আপাতত সম্ভাব্যতা সমীক্ষার জন্য প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-জাইদির বৈঠকে কিরকুক-বানিয়াস পাইপলাইন পুনর্বাসনসংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমান সফরে গিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, বৈঠকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।