Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়ে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা ভিয়েনার রাজ্য কাউন্সিলর মাহমুদুর রহমান নয়নকে লালমোহনে সংবর্ধনা থার্ড টার্মিনাল চালুর পর এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাজ্য বিশ্বকাপের পর পর্তুগালের দায়িত্ব ছাড়ছেন মার্তিনেজ পরীমণিকাণ্ডে বাধ্যতামূলক অবসরে গোলাম সাকলায়েন ইউকে ভিসা থাকলেই ঘুরতে পারবেন ২২টি দেশ স্মার্টফোন বিক্রিতে দারাজ ও পিকাবুতে শীর্ষে রিয়েলমি সেই ভাইরাল লোকশিল্পী লাইলী বেগম পেলেন ৩ লাখ টাকার সরকারি অনুদান ২০৪০ সালের মধ্যে পর্যটন খাতে ২ কোটি ১৯ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য: পর্যটনমন্ত্রী শ্রীলঙ্কায় শুরু হয়েছে সার্ক প্রধান ভেটেরিনারি কর্মকর্তাদের সভা
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়ে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন,২০২৬, ১০:১৮ পিএম
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়ে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলোর গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২৫ সালে এ আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৩৪ দশমিক ২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ বা প্রায় ১২ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত বার্ষিক পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের শেষে রেকর্ড হওয়া ৮৭১ দশমিক ১ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁর পর এটিই সর্বোচ্চ আমানত। ২০২৪ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ ছিল ৫৯০ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। এক বছরের ব্যবধানে তা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের তথ্য বলছে, এ বৃদ্ধির মূল কারণ বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর আমানত বৃদ্ধি। ২০২৪ সালে ব্যাংকগুলোর আমানত ছিল ৫৭৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ৮২২ দশমিক ৭ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে পৌঁছেছে।

তবে ব্যক্তি গ্রাহকদের জমা অর্থের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। ব্যক্তিগত হিসাবের আমানত প্রায় ১০ শতাংশ কমে ১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ থেকে ১১ দশমিক ৪ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সুইস ব্যাংকে থাকা অর্থের পরিমাণকে সরাসরি অর্থপাচারের তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। কারণ এসব পরিসংখ্যানে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের বৈধ আমানতও অন্তর্ভুক্ত থাকে।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র কমিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আনুমানিক ২৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। প্রতিবেদনে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, হংকং, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভারতসহ বিভিন্ন দেশকে সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্য বিনিময় ব্যবস্থায় এখনও নেই বাংলাদেশ
কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে সুইজারল্যান্ড ২০১৮ সাল থেকে ‘অটোমেটিক এক্সচেঞ্জ অব ইনফরমেশন (এআইওই)’ ব্যবস্থা চালু করেছে। এর মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে আর্থিক হিসাবসংক্রান্ত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিনিময় করা হয়।

২০২৫ সালে এ ব্যবস্থার আওতায় ১০১টি দেশের সঙ্গে প্রায় ৩৪ লাখ আর্থিক হিসাবের তথ্য বিনিময় করেছে সুইস কর্তৃপক্ষ।

তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ এখনও এআইওই ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার অঙ্গীকার করেনি। অন্যদিকে প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তান ইতোমধ্যে এই তথ্য বিনিময় ব্যবস্থার অংশ হয়েছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)