Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

ছাত্রদলের কমিটি প্রায় চূড়ান্ত, শেষ মুহূর্তে আলোচনায় যারা কার্যকর সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানোর আহ্বান অ্যামচ্যামের বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্পখাতের কার্যকর সম্পর্ক গড়তে কাজ করছে ইউজিসি: ড. মামুন দুই-তিন বছরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন: ববি হাজ্জাজ শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত দেশের অর্থনীতি ভালো অবস্থায় নেই, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে পারে মিসর: এরদোয়ান লতিফ-রুপাসহ ৯ আসামি ট্রাইব্যুনালে, পরবর্তী শুনানি ৩ সেপ্টেম্বর সংবিধান সংশোধন সংসদেই সম্ভব, রাজপথে বলে লাভ নেই: গয়েশ্বর রাজধানীতে ওরিয়েন্টাল ইকোউডসের প্রথম এক্সপেরিয়েন্স হাবের যাত্রা শুরু
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ভারতীয় গণমাধ্যম

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : রবিবার, ১৬ আগস্ট,২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরাতে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়েও আলোচনায় প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর মধ্যেই এ বিষয়ে চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করেছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

রোববার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না ভারতের সরকার। বরং বিষয়টি শেষ পর্যন্ত ভারতের বিচার বিভাগ ও আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ভারতের আদালতই নেবে। এটি রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত হবে না। আদালতের প্রক্রিয়ায় যাচাই করা হবে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেসব অপরাধের অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো ভারতীয় আইনেও অপরাধ হিসেবে বিবেচিত কি না।

অপর এক কর্মকর্তা জানান, শেখ হাসিনা নিজেই চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে তাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধকে ঢাকা-দিল্লির চলমান কূটনৈতিক আলোচনার বাইরে দেখার সুযোগ নেই। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে বিষয়টি সমাধানে আগের অবস্থান থেকে সরে এসে সম্ভাব্য পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বাংলাদেশের অনুরোধ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য থাকলে তা জানানো হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে জানান, ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় সব আইনি নথিপত্র সংযুক্ত করেই শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

চুক্তি অনুযায়ী, কোনো অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি কিংবা আদালতের সাজা কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় কোনো অপরাধীকে ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে প্রত্যর্পণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কোনো প্রত্যর্পণযোগ্য অপরাধের বিষয় দেখা দিলে তা চুক্তিভুক্ত দেশের ‘বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ’ নিষ্পত্তি করবে।

তবে চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ অপরাধ প্রত্যর্পণের আওতার বাইরে রাখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যা, অনিচ্ছাকৃত নরহত্যা, হামলা, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার এবং হত্যায় প্ররোচনাসহ ১২ ধরনের অপরাধকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচনা না করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এ ক্ষেত্রে ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইনও প্রাসঙ্গিক। ওই আইনে পলাতক অপরাধীদের অন্য দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিপিভি (কনস্যুলার, পাসপোর্ট অ্যান্ড ভিসা) বিভাগ প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত বিষয়ে নোডাল অফিস হিসেবে কাজ করে।

চুক্তি বা সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থার আলোকে প্রয়োজন মনে করলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্তের জন্য একজন ইনকোয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করতে পারে।

আইন অনুযায়ী, তদন্ত শেষে ইনকোয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হস্তান্তরের জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে, তাহলে তিনি প্রতিবেদনে প্রত্যর্পণের সুপারিশ করতে পারেন। অন্যদিকে, আবেদনকারী দেশের দাবির পক্ষে প্রাথমিকভাবে কোনো মামলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে মনে হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষমতাও রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেটের।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)