Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ছোট করার চেষ্টা করছে স্বাধীনতাবিরোধীরা: রিজভী কলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ২০ হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স সোসাইটি রাবি ইউনিটের সভাপতি আলফাজ, সম্পাদক নাহিদ নতুন ওয়েব ফিল্মে নুসরাত ফারিয়া তদন্ত ও অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ক্ষমতা পাচ্ছে মানবাধিকার কমিশন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিতে রিয়েলমি সি১০০এক্স নিয়ে এলো সুবিশাল ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি বাংলা QR লেনদেনে প্রণোদনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে ‘ফ্রেশ স্টার্ট’ জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বরগঞ্জে আদালতের ১৪৪ ধারা অমান্য করে ধান রোপণের অভিযোগ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশ : সোমবার, ১০ আগস্ট,২০২৬, ০৭:০৯ পিএম
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মহিপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশ থাকা একটি বিরোধপূর্ণ জমিতে ফের দুটি টিনের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকানা দাবিদার মো. মজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন তাঁর চাচি ফাতেমা বেগম।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে মহিপুর থানাধীন ইউসুফপুর মৌজার মোয়াজ্জেমপুর গ্রামে সরেজমিনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। আদালতের আদেশ অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

লিখিত বক্তব্যে ফাতেমা বেগম বলেন, কলাপাড়া উপজেলার ইউসুফপুর মৌজার জেএল নং-২৭, বিএস দাগ নং-৩৭২ ও ৮১৬ এবং খতিয়ান নং-১২৯, ২৩০৩ ও ২০৭-এর মোট ১.২৫ একর জমি নিয়ে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, মামলায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলে গত ২২ জুলাই আদালত উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জমিতে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের ওই নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মো. ইমরান হাওলাদার, হানিফ, ইব্রাহিমসহ কয়েকজন লোকজন নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন এবং টিন ও কাঠ দিয়ে পাটাতন তৈরি করে দুটি ঘর নির্মাণ করেন।

ফাতেমা বেগম আরও অভিযোগ করেন, এর আগে স্থানীয়ভাবে সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। এরপর আবারও বিরোধীয় জমিতে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এ সময় তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জমি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত ইমরান বাদী হয়ে স্থানীয় ১০ জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করেছেন বলে জানা গেছে। মামলার আসামি মাহাতাব মাওলানা ও শাহীন মীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলাটিকে ‘মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে দাবি করেন।

তাঁদের অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণ করা দুটি ঘর মহিপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। সম্প্রতি ওই জমিতে আবারও দুটি টিনের স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। স্থাপনা নির্মাণে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির সহযোগিতা ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন, উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। তবে স্থাপনা নির্মাণের পেছনে বিএনপির কোনো ইন্ধন রয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি।

ঘটনাস্থলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে মজিবুর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করেছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ‘বিষয়টি আদালতের। আদালত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। পুলিশ সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেছে। শুক্রবার নামাজের সময় তারা ঘর উত্তোলন করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।’

আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশের পরও বিরোধপূর্ণ জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ এবং একই জমিকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি মামলা ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগে এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উভয় পক্ষকে আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)