Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি নির্ধারণ ৮ হাজার টাকা ● কোনাবাড়ি থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত সব পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা ● কুয়াকাটায় হোটেলের লাইসেন্স নবায়নের নামে ঘুষ, আটক শ্রম পরিদর্শক ● ভারতীয়রা মেঝে থেকে গরুর মূত্র চেটে খায়’, ইহুদি ধর্মপ্রচারকের মন্তব্যে তোলপাড় ● ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠন নিয়ে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে তুমুল মারামারি ● ব্যাটিং বিপর্যয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটে হারল বাংলাদেশ ● ডিবির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন চাকরি থেকে বরখাস্ত ● নতুন মজুরি বোর্ড গঠন রোববার, শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান ● লালমোহনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ● সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীরা এক মাসের মধ্যে পরীক্ষার সুযোগ পাবে: শিক্ষামন্ত্রী
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠন নিয়ে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে তুমুল মারামারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : শনিবার, ৩১ অক্টোবর,২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠন নিয়ে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে তুমুল মারামারি

‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ বা যৌনতা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব ঘিরে বিতর্কের জেরে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় সংসদ সদস্যদের পরস্পরের দিকে কিল-ঘুষি, লাথি ও চেয়ার ছুড়তে দেখা যায়। অধিবেশনকক্ষ ছাড়িয়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে পার্লামেন্ট ভবনের করিডোরেও।

চলতি বছরের শুরুতে বিরোধী দল স্ট্রং আর্মেনিয়া পার্টি নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশে ‘কোনো অসন্তুষ্ট নারী থাকবে না’ বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দলটি ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়। দলটির দাবি, যৌন অসন্তুষ্টির কারণে মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় এমন একটি মন্ত্রণালয় প্রয়োজন।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পার্লামেন্টে প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ক্ষমতাসীন সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টির সংসদ সদস্য তারন চাখোয়ান বিরোধী দলকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মন্ত্রণালয় নিয়ে দলটির নেতা নারেক রাপেতিয়ানকে নারীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।

বিতর্কের একপর্যায়ে চাখোয়ান রাপেতিয়ানকে ‘আপাদমস্তক ঝামেলা’ বলে কটাক্ষ করেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। একপর্যায়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আসন ছেড়ে চাখোয়ানের বক্তব্য দেওয়ার ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। এরপরই শুরু হয় হাতাহাতি।

সংঘর্ষের সময় সংসদ সদস্যদের পরস্পরকে ঘুষি ও লাথি মারতে দেখা যায়। পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার ও ক্ষমতাসীন দলের সদস্য ভাহাগন আলেকসানিয়ান বিরোধী আইনপ্রণেতাদের দিকে একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। অন্যদিকে চাখোয়ান বিরোধী সংসদ সদস্য গার্নিক দাভতিয়ানের দিকে পানি ছিটিয়ে দেন। এ সময় কয়েকজন আইনপ্রণেতা পানির বোতল ছুড়ে মারেন। ভাঙচুর করা হয় পার্লামেন্টের কয়েকটি টেবিলও।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার প্রথমে অধিবেশন মুলতবি না করার ঘোষণা দেন। তার ভাষ্য ছিল, সবাই যেন ঘটনাটি সরাসরি দেখতে পারেন। তবে সংঘর্ষের মাত্রা বেড়ে গেলে শেষ পর্যন্ত অধিবেশনে বিরতি ঘোষণা করতে হয়। বিরতির পরও হাতাহাতি থামেনি। পার্লামেন্টের করিডোরেও দুই পক্ষের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা দুই দলের মাঝখানে মানবপ্রাচীর তৈরি করেন। কয়েকজন সংসদ সদস্যকে আহত ও ছেঁড়া পোশাকে চেম্বার থেকে বের হতে দেখা যায়।

ঘটনার পর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান সহিংসতার নিন্দা জানান। তবে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের ভূমিকার প্রতিও সমর্থন জানান তিনি। পাশিনিয়ান বলেন, ‘আমি সহিংসতার নিন্দা করি। তবে আজ সিভিল কন্ট্রাক্ট উপদল যে ব্যবস্থা নিয়েছে, আমি তাকে সমর্থন করি। বিরোধী দলে থাকার অর্থ এই নয় যে কেউ উদ্ধত আচরণ করবে। চেয়ার ছুড়ে মারা হোক বা অন্য কিছু, এটি ছিল যথাযথ ও সঠিক।’

পরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কৌতুক করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ দলের সংসদ সদস্যরা শারীরিকভাবে ততটা শক্তিশালী নন।

পোস্টের মন্তব্যে চাখোয়ান বলেন, ‘আমার কিছুটা খারাপ লাগছে। তারা (স্ট্রং আর্মেনিয়া) লড়াই শুরু করে, তারপর পালিয়ে যায়।’

পরবর্তী সময়ে প্রতিপক্ষের আচরণকে ‘গুণ্ডামি’ আখ্যা দিয়ে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন চাখোয়ান। তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদের অধিবেশনকক্ষে সংঘাত উসকে দিয়ে মার না খেয়ে পালিয়ে যাওয়া চলবে না।’

অন্যদিকে বিরোধী নেতা কারাপেতিয়ান সংঘর্ষের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘটনাটিকে ‘খাঁটি আর্মেনীয় ধাঁচের পুরুষে পুরুষে স্বাভাবিক লড়াই’ বলে বর্ণনা করেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরক্ত করে আসা ব্যক্তিরা এবার সরাসরি জবাব পেয়েছেন।

এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে আর্মেনিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানায়, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।

এদিকে একই দিনে আলবেনিয়ার পার্লামেন্টেও বিরোধী আইনপ্রণেতাদের বিক্ষোভ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। সেখানে বিরোধী সংসদ সদস্যরা স্মোক বোমা বিস্ফোরণ ঘটান এবং অধিবেশনের ডায়াস অবরুদ্ধ করেন।

বিতর্কিত একটি রিসোর্ট প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আলবেনিয়ায় কয়েক মাস ধরে চলা ‘ফ্লেমিংগো আন্দোলন’ পরে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। সেন্ট্রাল ব্যাংক অব আলবেনিয়া-সংক্রান্ত একটি আইনের সংশোধনী নিয়ে ভোটাভুটির সময় ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন বিরোধী সদস্যরা। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী এডি রামার পদত্যাগ দাবি করেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)