নিজস্ব প্রতিবেদন
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটির কারণে পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিস্তীর্ণ এলাকায়। ফলে শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি এবং আবাসিকসহ সব শ্রেণির গ্রাহক তীব্র গ্যাস সংকটের মুখে পড়েছেন।
রোববার এক বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড জানায়, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে আরএলএনজি সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিতরণ এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ অব্যাহত থাকতে পারে।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সরবরাহ সংকটের কারণে বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে শিল্পকারখানার উৎপাদন, সিএনজি স্টেশন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক গ্রাহকদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তিতাস গ্যাস জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্রাহকদের নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ পুনরায় নিশ্চিত করা হবে।