Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি ● চরফ্যাশনে এনসিপির কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে সরকারি কর্মকর্তার সংবাদ সম্মেলন ● সচিবালয়ে এমপিদের সঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন শুধু দুজন ● ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৫১ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ৫৪১৮ যাত্রী ● কন্যাশিশুর অধিকার সুরক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগে চিকিৎসা সেবা গড়ে তোলার আহ্বান জনপ্রশাসন উপদেষ্টার ● লালমোহনে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত ● চীনের কুনমিংয়ে বাংলাদেশের ১৫ সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু ● ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলতি বছরে লক্ষ্য সাড়ে ৪ কোটি পরিবার ● মিষ্টির শূন্য আসনে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা, ভোট ১২ নভেম্বর
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সতিনকে ফাঁসাতে নিজের শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

নরসিংদী প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ১১ অক্টোবর,২০২৬, ১০:১২ পিএম
সতিনকে ফাঁসাতে নিজের শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

নরসিংদীর মনোহরদীতে সতিনকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে আড়াই বছরের নিজের শিশুকন্যাকে পুকুরের পানিতে ডুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আশিকুর রহমান। এর আগে গত ৮ অক্টোবর উপজেলার খিদিরপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত শিশুটির নাম তানজিমা আক্তার। সে ওই গ্রামের নাজমুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তার মা রহিমা ওরফে টুনি (২৩)। তিনি নাজমুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং খিদিরপুর এলাকার নুরুল আমিনের মেয়ে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার আগে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে রহিমা তার স্বামী নাজমুল ইসলাম ও সতিন হনুফার সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করছিলেন। সে সময় তানজিমা তার নানির বাড়ি চরমান্দালিয়ায় ছিল।

অভিযোগ ও জবানবন্দির বরাতে জানা যায়, ৭ অক্টোবর রাতে রহিমার সঙ্গে সতিন হনুফার পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরদিন তিনি নানির বাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে আসেন। পরে সতিনকে ফাঁসানোর পরিকল্পনা থেকে ৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে স্থানীয় একটি পুকুরে শিশুটিকে পানিতে ডুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর শিশুটির মরদেহ স্বামীর বাড়ির একটি ঘরের চৌকিতে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। এরপর ঘরের বাইরে থেকে দরজায় তালা লাগিয়ে সেখান থেকে চলে যান অভিযুক্ত মা। সতিন হনুফাকে এ ঘটনায় ফাঁসানোর উদ্দেশ্য ছিল বলে তার জবানবন্দিতে উল্লেখ রয়েছে।

পরে স্থানীয়দের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই রাতেই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর নিহত শিশুর দাদি ফিরোজা বেগম (৭৫) বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) ওবায়দুর রহমান এবং মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা জানান, মামলার পর রহিমা ওরফে টুনিকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তিনি শিশুটিকে পানিতে ডুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমান মুঠোফোনে জানান, ৯ অক্টোবর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)