Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম

● সাইবার হামলার আশঙ্কায় সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার ● উন্নত দেশ গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ● প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ৯ মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ, আইনজীবীকে তলব ● বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সুইজারল্যান্ডের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান ● দেশের পাঁচ অগ্রাধিকারমূলক খাতে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ● সিবিআই কর্মকর্তার চরিত্রে সাই পল্লবী ● বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ● মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু ৩১ অক্টোবর ● প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউনিক্লোর শীর্ষ নির্বাহীদের বৈঠক ● চিত্রাঙ্কন, হাতের লেখা প্রতিযোগিতা ও কেক কাটায় চরফ্যাশনে কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ৯ মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ, আইনজীবীকে তলব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : বুধবার, ২৮ অক্টোবর,২০২৬, ০৬:১৬ পিএম
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ৯ মামলায় রায় জালিয়াতির অভিযোগ, আইনজীবীকে তলব

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ৯ টি মামলায় শুনানি ও রায়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট ঐ মামলাগুলোর আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়াকে তলব করে জালিয়াতির ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন আপিল বিভাগ।

আদালত বলেছেন, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বিচারপতিদের কাছ থেকেও বিষয়টি জানতে চাওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতির নেতৃতাধীন আপিল বিভাগে বিষয়টি আদেশের জন্য রাখা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৯১৯ নম্বর রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন দ্বৈত বেঞ্চ ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন। উক্ত রায়ে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩’-এর ৭ নম্বর বিধি অনুযায়ী ৬০% নারী কোটা সঠিকভাবে অনুসৃত হয়নি উল্লেখ করে তৎকালীন চূড়ান্ত ফলাফল বাতিল করা হয় এবং ৬ মাসের মধ্যে নতুন মেধা তালিকা প্রণয়ন করে রিটকারীদের নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, মূল ৫৮ জন পিটিশনারের বাইরে অতিরিক্ত ৬৪ জন নতুন সহ-পিটিশনার অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এফিডেভিট সম্পন্ন করা হয়। তবে তা নিয়মিত সেকশন প্রসেস, নাম তালিকাভুক্তকরণ কিংবা বিবাদী পক্ষকে (প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট অধিদফতর) নোটিশ পাঠানো ছাড়াই ফাইল সরাসরি বিচারকের কাছে রেখে মাত্র একদিনের মধ্যে আবেদন মঞ্জুর ও শুনানি গ্রহণ করা হয়।

মূল শুনানির মাত্র ৪ দিনের মাথায় হাইকোর্ট বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই রায়ে মূল আবেদনকারীদের বাদ রেখে পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া নতুন সহ-পিটিশনারদের পক্ষে আদেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত এমন মোট ৯ টি মামলায় জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করেন রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল বিভাগে শুনানিকালে নথিপত্রে দৃশ্যমান এই নজিরবিহীন দ্রুতি, প্রক্রিয়ার অনিয়ম ও জালিয়াতির চিত্র সামনে এলে আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে আইনজীবী ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, মূল পিটিশনারদের কিছু বাদ দেওয়া হয়েছিল, আবার কিছু যুক্তও হয়েছিল। আমি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি, তবে সেকশনে কিছু জটিলতা ছিল। বৃহস্পতিবার আদেশের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)