নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক ও রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য সারোয়ার তুষার বলেছেন, সরকার আগে গ্রেফতার করছে। গ্রেফতার করার পরে আইন খুঁজছে যে কোন আইনে গ্রেফতার দেখানো যায়। যখন তারা দেখছে যে বিদ্যমান সাইবার আইনে গ্রেফতার দেখানো যায় না। তখন সন্ত্রাসবিরোধী আইন। ধরেন সরকারকে গালি দিয়েছেন এটা সন্ত্রাস। এটাই তারা বলতে চাচ্ছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনের সংশোধনী, বাকস্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তুষার বলেন, সাইবার অধ্যাদেশ যেটা অন্তর্বর্তী সরকার করেছিল সেটা ছিল খুবই স্পেসিফিক। এখন এই আইন দিয়ে এই সরকার যেটা করতে চায় একটা ডিজিটাল ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। কিংবা ডিজিটাল স্বৈরতন্ত্র কায়েম করতে চায়। সেটা তো ওই বিদ্যমান আইন দিয়ে সম্ভব হচ্ছে না। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত ফেসবুক পোস্টের কারণে ২১ থেকে ২২টার মতো গ্রেফতারের খবর প্রতিষ্ঠিত পত্রিকাগুলোতে এসছে। যেগুলো আনরিপোর্টেড সেগুলোর কথা আমরা জানি না।
তিনি বলেন, প্রত্যেকটা গ্রেফতার এই বিদ্যমান সাইবার আইনে কাভার করা যায় না। মানে বিদ্যমান সাইবার আইনে আপনি তাদের ধরতে পারবেন না। এ কারণে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখাতে হচ্ছে।
এই আলোচনা সভার শুরুতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিক্ষাবিদ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও গুম-সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির সাবেক সদস্য ড. নাবিলা ইদ্রিস।
আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক অ্যাডভোকেট আরমান হোসাইন।
এছাড়াও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু এবং দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা, ডেইলি ওয়াদার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ, নাটশেল টুডের নির্বাহী সম্পাদক ও লেখক-গবেষক অপূর্ব জাহাঙ্গীর প্রমুখ।