Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার খেলেও বাড়ছে ব্লাড সুগার!

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : বুধবার, ৭ অক্টোবর,২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার খেলেও বাড়ছে ব্লাড সুগার!

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে অনেকেই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনেন। কী খাচ্ছেন, কখন খাচ্ছেন এবং কতটা খাচ্ছেন—এসব বিষয় শরীরে গ্লুকোজের মাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে। তবে রক্তে শর্করার স্বাভাবিক ওঠানামা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়া বা হঠাৎ কমে যাওয়া এড়িয়ে চলা।

পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়াবেটিস না থাকলে খাবারের পর রক্তে শর্করার মাত্রা কিছুটা বেড়ে যাওয়া স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খাওয়ার পর শর্করা বাড়ে। তবে কতটা বাড়বে তা নির্ভর করে খাবারের ধরন, শারীরিক পরিশ্রম, ঘুম, মানসিক চাপ ও ব্যক্তির শারীরিক গঠনের ওপর।

তবে আপাতদৃষ্টিতে ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার খাওয়ার পরও যদি রক্তে শর্করা হঠাৎ বেড়ে যায়, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুষ্টিবিদরা এমন চারটি লক্ষণ ও এর সম্ভাব্য খাদ্যসংক্রান্ত কারণ উল্লেখ করেছেন।

১. খাওয়ার পরপরই আবার ক্ষুধা লাগা
খাবার গ্রহণের পর শরীর তা ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত করে এবং তা রক্তে প্রবেশ করে। সুস্থ মানুষের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়ে এই গ্লুকোজ কোষে শক্তি হিসেবে ব্যবহারে সহায়তা করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা আবার কমে আসে। কিন্তু শর্করা খুব দ্রুত কমে গেলে খাওয়ার পরপরই আবার ক্ষুধা লাগতে পারে। পর্যাপ্ত প্রোটিন ও আঁশের অভাবে এমনটি হতে পারে। প্রোটিন ও আঁশ হজমপ্রক্রিয়া ধীর করে দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।

২. শক্তির মাত্রায় হঠাৎ ওঠানামা
খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ চাঙ্গা অনুভব করা এবং কিছুক্ষণ পরই ক্লান্ত হয়ে পড়া রক্তে শর্করার ওঠানামার লক্ষণ হতে পারে। পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম হয়ে রক্তে শর্করা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়ে। এমনকি ওটমিল ও ফল, স্মুদি কিংবা হোল-গ্রেইন টোস্টের মতো পুষ্টিকর খাবারেও পর্যাপ্ত প্রোটিন, চর্বি বা আঁশ না থাকলে দ্রুত হজম হয়ে ক্ষুধা বা ক্লান্তি তৈরি করতে পারে।

৩. ঘন ঘন তৃষ্ণা পাওয়া
পর্যাপ্ত পানি পান করার পরও যদি বারবার তৃষ্ণা পায় এবং ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হয়, তা রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে। রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ জমলে শরীর তা পাতলা করতে কোষ থেকে পানি রক্তে টেনে নেয় এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত গ্লুকোজ বের করার চেষ্টা করে। এতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। ফল ও শস্যের মতো স্বাস্থ্যকর খাবারও অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে রক্তে শর্করা বেড়ে যেতে পারে।

৪. মাথাব্যথা হওয়া
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হলে মস্তিষ্কের শক্তি বিপাক, ইনসুলিনের সংকেত এবং রক্তনালীর কার্যকারিতায় প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে মাথাব্যথা হতে পারে। এ ছাড়া উচ্চ শর্করার কারণে তৈরি হওয়া পানিশূন্যতাও মাথাব্যথার অন্যতম কারণ হতে পারে।

সূত্র: ইটিং ওয়েল

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)