Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
Desherdak || Daily Newspaper In Bangladesh
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

২৫ বছর বয়সেই সাফল্যের শীর্ষে মমিতা বাইজু

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশ : বুধবার, ৭ অক্টোবর,২০২৬, ০৩:৩৮ পিএম
২৫ বছর বয়সেই সাফল্যের শীর্ষে মমিতা বাইজু

মাত্র ২৫ বছর বয়স। এরই মধ্যে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন মমিতা বাইজু। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—মাত্র দুই মাসে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত তিনটি সিনেমা। অবাক করার মতো বিষয় হলো, তিনটিই হয়েছে ব্যবসাসফল। সিনেমাগুলোর সম্মিলিত আয় ছাড়িয়ে গেছে ৯০০ কোটি রুপি। এর মধ্যে একটি সিনেমা গড়েছে নতুন রেকর্ডও।

এমন সাফল্যের পর মমিতাকে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার নতুন ‘টেক্কা’ বললেও বাড়াবাড়ি হবে না। সাম্প্রতিক তিন সিনেমার সাফল্যের বাইরেও তার ক্যারিয়ারে রয়েছে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা। যেন মমিতা থাকলেই সাফল্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

গত ২৩ জুলাই মুক্তি পায় এইচ বিনোদের তামিল সিনেমা ‘জন নয়াগণ’। থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা হিসেবে মুক্তির আগেই এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। এমনকি মুক্তির আগে অনলাইনে ফাঁস হওয়ার পরও সিনেমাটি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলে। বিশ্বব্যাপী ৩২০ কোটি রুপির বেশি আয় করে সিনেমাটি। বিজয় ও পূজা হেগড়ের সঙ্গে এতে অভিনয় করেছেন মমিতা বাইজু।

এরপর ১৪ আগস্ট মুক্তি পায় ভেঙ্কি আতলুরির ‘বিশ্বনাথ অ্যান্ড সনস’। রোম্যান্টিক-ফ্যামিলি ড্রামা ঘরানার সিনেমাটি দর্শকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী এর আয় ২৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। সিনেমাটিতে সুরিয়ার সঙ্গে মমিতার অসম বয়সের প্রেমের রসায়ন দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।

এক সপ্তাহ পর, ২১ আগস্ট মুক্তি পায় মমিতার আরেক সিনেমা ‘বেথলেহেম কুডুম্বা ইউনিট’। গিরিশ এ. ডি. পরিচালিত মালয়ালম সিনেমাটি বক্স অফিসে রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। প্রায় ৩৩০ কোটি রুপি আয় করে এটি এখন মালয়ালম চলচ্চিত্রশিল্পের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমা। রোম্যান্টিক-কমেডি ঘরানার সিনেমাটিতে নিভিন পলির সঙ্গে মমিতার জুটি দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।

একের পর এক সফল সিনেমা উপহার দিয়ে মমিতা এখন দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। মিষ্টি হাসি ও প্রাণবন্ত অভিনয়ে খুব সহজেই দর্শকের মন জয় করেছেন তিনি। তার পর্দার উপস্থিতিতে রয়েছে এক ধরনের সহজাত আকর্ষণ, যা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে।

২০০১ সালের ২২ জুন ভারতের কেরালার কোট্টায়াম জেলার কিডাঙ্গুরে জন্ম মমিতার। তার বাবা একজন চিকিৎসক। পরিবারে বাবা-মায়ের পাশাপাশি রয়েছেন বড় ভাই মিথুন।

স্কুল-কলেজের পড়াশোনা শেষে কোচির স্যাক্রেড হার্ট কলেজে মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন মমিতা। তবে তৃতীয় বর্ষে গিয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়ায় পড়াশোনা আর শেষ করা হয়নি।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে অভিনয়ে অভিষেক হয় তার। মালয়ালম সিনেমা ‘পাভাদা’য় শিশুশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করেন। এরপর আরও কয়েকটি সিনেমায় ছোট ও পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০২২ সালের ‘খো খো’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথমবার বড় পরিসরে নজর কাড়েন। এ সিনেমার জন্য পার্শ্ব চরিত্রে কেরালা ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ডও জেতেন তিনি।

তবে ২০২৪ সালেই বদলে যায় মমিতার ক্যারিয়ারের গতিপথ। প্রথমবার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন গিরিশ এ. ডির ‘প্রেমালু’ সিনেমায়। মাত্র ৯ কোটি রুপি বাজেটের রোম্যান্টিক সিনেমাটি বক্স অফিসে আয় করে ১৩৬ কোটি রুপি।

একই বছর ‘রেবেল’ সিনেমার মাধ্যমে তামিল চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার। এরপর গত বছরের অক্টোবরে মুক্তি পাওয়া ‘ড্যুড’ সিনেমাটিও ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। মাত্র ৩০ কোটি রুপি বাজেটের সিনেমাটি আয় করে ১১০ কোটি রুপির বেশি।

মাঝে এ বছরের এপ্রিলে মুক্তি পাওয়া ‘কারা’ সিনেমাটি অবশ্য প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। ধানুশের সঙ্গে অভিনীত সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্য পায়নি।

তবে সেই ব্যর্থতা এখন অনেকটাই পেছনে। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে টানা তিন সফল সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল সময় পার করছেন মমিতা বাইজু। বয়স মাত্র ২৫—কিন্তু সাফল্যের দৌড়ে এরই মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে গেছেন এই তরুণ তারকা।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)