সাহিত্য ডেস্ক
দিনে হাসে ঐ দিনমনি
দেখি উদয় ও অস্তাচলে;
শশীর হাসিতে নিশীতে
মোদের কতো প্রেম প্রীতি ফলে।
তারকা রাজিকে সুষ্মিতা কই
তমসেও পাই সুখ,
খদ্যাতিকাও কম নয় ভাই
সেও হরে কত দুঃখ।
ঝড়ের কবলে বজ্রের হাসি
তাহারও যে কতো কাম,
নিঝুম দ্বীপেও ক্ষণে ক্ষণে হাসে
আলেয়া যে তার নাম।
মাটির ভিতরে চকমকি,
কোহিনূর নূরালয় হাসে,
কতো যে খনিজ বস্তুর হাসি,
আসে কার অবিশ্বাসে?
যতো দেখে যাই হাসির কলিতে
ফুটছে কতোই ফুল,
সবই তো মহা স্রষ্টার ধন
কেউই বলিনা তা ভুল।
পৃথিবীতে যতো হাসির খোরাক
সবার সামনে ভাসে,
তাহাতে কেউবা আনন্দ পায়
কেউ বেদনায় কাশে ক্ষণে ক্ষণে
কারো হাসির লগনে
আমিও ব্যথিত হই,
তবে যদি দেখি কোন শিশু
তার হাসির ফুটায় খই,
তখনি তড়িৎ হাজারো দুঃখের
অবসান হয় মোর,
সরগ শুশীল আসিয়া বুঝি
কেটে দেয় সব ঘোর।
আছেন যত জ্ঞানী গুণী
ছোট বড় মহাজন মন,
শিশুর হাসি মোরে
এত ভালো লাগে
আপনারা বাকি কন?
কবি আমি নহি,
ছবি দিনু তাও
সকল শিশুর হাতে,
আমাতে জানিয়া
তারাও খেলুক
ধরণীর আঙ্গিনাতে।
শিশুরাই যেন জাগতিক ফুল
মোর কাছে ওরা হিত,
সবাই না হয় গেয়ে যাও ভাই
সকল শিশুর গীত।