অমিত বণিক, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
সারাদেশের মতো বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের পূর্বঘোষিত দুই ঘণ্টার শান্তিপূর্ণ কর্মবিরতি পালন হয়েছে। কর্মবিরতির কারণে প্যাথলজি, রেডিওলজি, ডেন্টাল, ফার্মেসী ও ফিজিওথেরাপী সেবা বিঘ্নিত হয়। এতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তিতে পড়েন।লম্বা সারিতে রোগীরা এসব সেবা নেয়ার জন্য অপেক্ষমান ছিল। কর্মসূচির কারণে কিছু ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সেবায় সাময়িক বিঘ্ন ঘটলেও জরুরি সেবা পূর্বের মতোই সচল ছিল।কর্মবিরতি পালনকারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের চাওয়া, সরকারের উচিত দ্রুত দাবি মেনে নেওয়া। এ কর্মসূচিতে শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা অংশ নেয়। উপস্থিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্ট নেতৃবৃন্দ বলেন, গত এক বছর ধরে আবেদন, স্মারকলিপি, যুক্তি-তথ্য-পরিসংখ্যানসহ সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেও তাদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে।দীর্ঘ তিন দশক আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় উপেক্ষিত ১০ ম গ্রেডের দাবি ন্যায়সংগত ও সময়োপযোগী। আন্দোলনরত টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের অভিমত, দেশের স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি স্তরে-ইউনিয়ন পর্যায়ের ছোট কেন্দ্র থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল পর্যন্ত-তাদের কর্মযজ্ঞ চিকিৎসাকে এগিয়ে নিয়ে যায়। তবুও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর দীর্ঘদিনের অবহেলা ও বৈষম্য তাদের বাধ্য করেছে কর্মবিরতির মতো কঠোর কর্মসূচিতে সামিল হতে।তারা আরো জানান,১০ ম গ্রেড বাস্তবায়িত না হলে আগামী ০৩ রা ডিসেম্বর অর্ধ দিবস কর্মবিরতি এবং ০৪ ঠা ডিসেম্বর থেকে কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি চলবে।