নেত্রকোনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
আওয়ামী আমলের প্রকল্পের দুর্নীতি অনিয়মে নিউজের জেরে হামলায় আহত হলেন সাংবাদিক’ হামলার মদদে ছিলেন কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক । আওয়ামী আমলের কেন্দুয়া উপজেলা ৪ নং গড়াডোবা ইউনিয়নের" ওয়াই কাঞ্চন মিয়া বাড়ি হইতে কান্দাবাড়ী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার" প্রকল্পের বরাদ্দ টাকার অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে হামলায় আহত হন সাংবাদিক মহিউদ্দিন তালুকদার । গত (১১ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পিতবার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকার অভিযোগকারীদেরকে ও অভিযুক্তদেরকে শুনানির জন্য নিজ কার্যালয়ে ডাকে এবং শুনানি শেষে সরেজমিনে তদন্তের জন্য সাংবাদিক সহ সকলকে নিয়ে টি আর কাবিখার ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে অভিযুক্তদের শালা, আত্মীয় স্বজন ও আওয়ামিলীগ নেতা ফারুক মিয়ার দূর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় অনেকে মিলে অতর্কিত হামলা করে সাংবাদিক মহিউদ্দিনের উপর । আরো আঘাত করেন নব্য বিএনপির হালিম মাষ্টার সহ তার সহযোগীরা । তাৎক্ষনিক অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকারের নির্দেশে কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক দুস্কৃতিকারীদের হাত থেকে সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তির করান । হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষনিক মহিউদ্দিন তালুকদারকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনা বিভিন্ন সুত্র মাধ্যামে জানা যায় ঘটনার পরপর কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক সাংবাদিকদের একটি সাক্ষাত দেন তিনি সংগঠিত হামলার ঘটনার একটি প্রেক্ষিতে বলেন উনি একশ মিটার দূর থেকে দৌড়িয়ে গিয়ে দেখেন সাংবাদিক মহিউদ্দিন এর সাথে হালিম মাস্টার সহ উত্তিজিত জনতার সাথে মারামারি ও উত্তেজনা বিরাজ করছে পরে তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন এবং আহত অবস্থায় সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান মারামারি মত কোন ঘটনা ঘটেনি , সরাসরি টি আর কাবিখার অর্থ আত্মসাৎকারীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকার নেতৃত্বে দূর্ণীতির ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে মহিউদ্দিনের উপর এলোপাতারি হামলা চালায় এতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মহিউদ্দিন মাটিতে লুয়িয়ে পড়ে । সংঘঠিত ঘটনার স্থান একশত মিটার দুরত্ব থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুখময় সরকার , কেন্দুয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক, ইমদাদুল হক যাকে মারামারি ভিকটিম বানিয়েছেন বিগত আওয়ামীলীগ নেতা নব্য বিএনপির হালিম মাষ্টার দোড়ে আসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক মহিউদ্দিনকে উদ্ধারে থাকলেও নব্য বিএনপির হালিম মাষ্টার মহিউদ্দিনকে সজোরে লাথি দিয়ে নিজেই মাটিতে পড়ে যান। হামলার ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যর সাথে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হকের তড়িঘড়ি করে সাংবাদিক সাক্ষাতএর কোন মিল না পাওয়া পূর্বে মহিউদ্দিনের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা আশংকা করছেন এই হামলা ঘটনার সাথে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক জড়িত।