ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
নালিতাবাড়ী

বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে বিভিন্ন এলাকায় প্লাবন : জন দুর্ভোগ চরমে

Spread the love

গত কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। সেসাথে নদীতীর উপচে প্রবল স্রোতে ঘর-বাড়িতে ঢলের পানি ঢুকছে। পৌরশহরের গড়কান্দা নতুন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন>>শেরপুরে কাপড় ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে চেল্লাখালী নদীর বারোমারী বাজার পয়েন্টে ৩১৪ সেন্টিমিটার ও ভোগাই নদীর নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ পাঠক আলমগীর হোসেন ও মুকুল মিয়া এ তথ্য জানান।

জানাগেছে, গত রোববার থেকে নালিতাবাড়ী উপজেলায় ভারি বর্ষণ শুরু হয়। ৩ দিনের টানা ভারি বর্ষণ, উজানে ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্য থেকে বয়ে আসা ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীতে প্রবল স্রোতে পাহাড়ি ঢল নামে। এসময় ভোগাই নদীর খালভাঙা, গড়কান্দা নতুন বাসস্ট্যান্ড, গোবিন্দনগর এবং চেল্লাখালী নদীর সন্ন্যাসীভিটা ও গোল্লারপাড় এলাকায় নদীতীর উপচে লোকালয়ে প্রবল বেগে ঢলের পানি ঢুকছে। এতে ওই এলাকার প্রায় দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভারী বর্ষণ চলছে।
বৃষ্টি অব‍্যাহত থাকলে বন‍্যার আশংকা রয়েছে।

অপরদিকে, নালিতাবাড়ী- গাজীরখামার- শেরপুর সড়কে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন>>ফের উৎপাদন শুরু পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট
ভুক্তভোগীরা বলেন, ঢলের পানিতে নিম্নাঞ্চলের কৃষকের আমন ধানের বীজতলা, সবজিখেত ও অসংখ্য পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ঢলের পানি নেমে গেলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ রানা বলেন, নালিতাবাড়ী উপজেলার দুটি নদীতে পাহাড়ী ঢলের পানি নদীর কিনারা উপচে গিয়ে বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। তবে এ পানি সাময়িক বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি থামলে দ্রুত পানি নেমে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নালিতাবাড়ী

বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে বিভিন্ন এলাকায় প্লাবন : জন দুর্ভোগ চরমে

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০২৪
Spread the love

গত কয়েক দিনের টানা ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। সেসাথে নদীতীর উপচে প্রবল স্রোতে ঘর-বাড়িতে ঢলের পানি ঢুকছে। পৌরশহরের গড়কান্দা নতুন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন>>শেরপুরে কাপড় ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকালে চেল্লাখালী নদীর বারোমারী বাজার পয়েন্টে ৩১৪ সেন্টিমিটার ও ভোগাই নদীর নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৪৭ সেন্টিমিটার বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গেজ পাঠক আলমগীর হোসেন ও মুকুল মিয়া এ তথ্য জানান।

জানাগেছে, গত রোববার থেকে নালিতাবাড়ী উপজেলায় ভারি বর্ষণ শুরু হয়। ৩ দিনের টানা ভারি বর্ষণ, উজানে ভারতের মেঘালয় ও আসাম রাজ্য থেকে বয়ে আসা ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীতে প্রবল স্রোতে পাহাড়ি ঢল নামে। এসময় ভোগাই নদীর খালভাঙা, গড়কান্দা নতুন বাসস্ট্যান্ড, গোবিন্দনগর এবং চেল্লাখালী নদীর সন্ন্যাসীভিটা ও গোল্লারপাড় এলাকায় নদীতীর উপচে লোকালয়ে প্রবল বেগে ঢলের পানি ঢুকছে। এতে ওই এলাকার প্রায় দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভারী বর্ষণ চলছে।
বৃষ্টি অব‍্যাহত থাকলে বন‍্যার আশংকা রয়েছে।

অপরদিকে, নালিতাবাড়ী- গাজীরখামার- শেরপুর সড়কে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

আরও পড়ুন>>ফের উৎপাদন শুরু পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট
ভুক্তভোগীরা বলেন, ঢলের পানিতে নিম্নাঞ্চলের কৃষকের আমন ধানের বীজতলা, সবজিখেত ও অসংখ্য পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ঢলের পানি নেমে গেলে প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ রানা বলেন, নালিতাবাড়ী উপজেলার দুটি নদীতে পাহাড়ী ঢলের পানি নদীর কিনারা উপচে গিয়ে বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। তবে এ পানি সাময়িক বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি থামলে দ্রুত পানি নেমে গিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।