ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
উদ্বোধনী বিশেষ আয়োজন

নতুন প্রজন্মের স্বাধীনতা

Spread the love

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে শুরু করে সামাজিক ও রাজনৈতিক সবক্ষেত্রে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। যুবকদের এবং সব ধরনের মানুষের হাতে তখন অস্ত্রের ঝনঝনানী। স্বাধীন হওয়া একটা দেশের যে অবস্থা হয়ে থাকে সেটাই হয়েছে। সবাই তখন নেতা। অনেকে তখন ডাকাতি থেকে শুরু করে অনেক খারাপ কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছিল। বঙ্গবন্ধু যখন দেশে ফেরত এসে দেশের হাল ধরলেন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে, তখন এদেশকে কিভাবে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায় সেজন্য তিনি পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি টগবগে তরুণ প্রজন্ম ও যুবক যারা ছিল তাদেরকে নিয়ে দেশ গঠন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন। অর্থনৈতিক সামাজিক রাজনৈতিক সব ধরনের ব্যবস্থা নিলেন। শিক্ষিত যুবক যারা ছিলেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে তিনি দেশের বাইরে পাঠালেন। বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে দিলেন পড়াশোনা করার জন্য। যুবকদের সচেতন করার জন্য অনেক ধরনের প্রকল্প হাতে নিলেন যুবকদেরকে বিদেশে পাঠানো হলো যাতে তারা সেখান থেকে পড়াশোনা করে এসে এই দেশের হাল ধরতে পারেন এবং দেশকে সুন্দরভাবে তারা গড়ে তুলতে পারেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার অর্জনের সাক্ষী হলেও তারা নিজেদের জীবনে স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। এটাই করা উচিৎ। নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক প্রতীকগুলির মধ্যে অভিন্ন রকমের সংজ্ঞা করে। তারা পূর্বের প্রজন্মের সংস্কৃতি, ইতিহাস, ও সম্প্রদায়ের সাথে সংগঠিত অনুষ্ঠানে অবদান রাখে। তাদের ভাষা, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও গর্বের উৎসব বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি অপরিহার্য অংশ।

স্বাধীনতার চেতনা নিজেদের উন্নতির জন্য এবং দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে প্রেরণা দেয়। এই প্রজন্ম স্বাধীনতার অর্জনে যে সমগ্র প্রযুক্তি, সামাজিক বিজ্ঞান, ও পরিবেশ বিজ্ঞানের সাথে যোগাযোগ রাখে, সেটি তাদের আরো দ্রুত প্রগতিতে উৎসাহিত করে। নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের উন্নতি ও উন্নতিশীল দৃষ্টিকোণের ক্ষেত্রে একটি মূল্যায়ন রাখে। তারা নিজেদের ক্ষমতা ও স্বাধীনতার বিকাশে মতিমুখী, উদার, এবং নিষ্ঠাবান। তারা নিজেদের এবং দেশের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং উন্নতিশীল বাংলাদেশের সমর্থন করে। এই নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার চেতনা ও অর্জনের অন্যত্র নজর ধারণ করে। তারা আগামীর জন্য আশা এবং স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে স্বাধীনতা ও সামাজিক উন্নতির সাথে একই পথে চলা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন গভীরভাবে দেশপ্রেমী এবং জনগণের কল্যাণে নিয়ে অগ্রগতির পথে প্রতিষ্ঠিত একজন নেতা ছিলেন। তিনি স্বতন্ত্র বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একটি ভালো দিক বজায় রেখেছিলেন এবং তার নেতৃত্বে দেশটির উন্নতির দিকে অগ্রগতি হয়েছিল। তরুণ প্রজন্মের প্রতি তিনি বিশেষ আকর্ষিত ছিলেন এবং তাদের উন্নতি ও উন্নয়নের দিকে তার অত্যন্ত গভীর আগ্রহ ছিল। তার দরজা সব সময় তরুণ প্রজন্মের দিকে উল্লসিত ছিল এবং তাদের জন্য উন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য তিনি সকল প্রয়াস করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন দীর্ঘদিন দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের কল্যাণে সঙ্গতির্ন্ধ যোদ্ধা ছিলেন। তিনি দেশের উন্নতি এবং তরুণ প্রজন্মের সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত গভীর চিন্তা করতেন। বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় তরুণ প্রজন্ম দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের দিকে গুরুত্ব দেন। তারা স্বাধীন, সক্রিয় এবং সুপ্ত প্রশাসনিক এবং সামাজিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন। তাদের মনোযোগ এবং নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম দেশের উন্নতির পথে অগ্রগতি করতে সহায়ক। তারা নতুন দিকের প্রতি আগ্রহী এবং সুযোগ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এবং তাদের নিজস্ব আবিষ্কার ও প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের উন্নতি ও উন্নয়নে কোনো প্রতিবন্ধক না থাকে বলে বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন। তারা প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, ও আবাসন প্রদানের সুযোগ ও সুবিধা পেতে সক্ষম হওয়ার জন্য সমর্থ হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন। এই ভাবনাই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর যাতে তরুণ প্রজন্ম দেশের সমৃদ্ধির মূল চেষ্টা করে দেবে।

সবশেষে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে নিজেকে একটি অংশীদার হিসেবে মনে করে। তারা নিজেদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে গর্ব করে, এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের মূল্যায়ন করে। এই নতুন প্রজন্মের মানুষরা আগামীর জন্য আশা এবং স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে স্বাধীনতা ও সামাজিক উন্নতির সাথে একই পথে চলা।

তিনি সবসময় বলতেন, তোমরা দেশে ফেরত আসবা এবং দেশের মাটিতে মাটিতেই বসবাস করবার এ দেশের মাটিকে ভালবাসবে এবং এ দেশের হাল ধরবা। এদেশের গরিব চাষ শ্রেণীর মানুষকে তোমরা ভালোবাসবা। সেই ধারাবাহিকতা বাস্তবায়ন করার জন্য তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা আবার এদেশের হাল ধরেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করেন। ডিজিটাল থেকে এখন স্মার্ট বাংলাদেশের রূপান্তর করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মানচিত্রকে উজ্জ্বল করেছেন। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল প্রকল্প থেকে শুরু করে রুপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রসহ নানা মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে াতান বাংলাদেশকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন। তিনিও বর্তমান নতুন প্রজন্মের প্রতি আশাবাদী। নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে আরও এগিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করবে বলে বিশ্বাস।

লেখক: কলামিস্ট ও গবেষক।

জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্বোধনী বিশেষ আয়োজন

নতুন প্রজন্মের স্বাধীনতা

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪
Spread the love

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে শুরু করে সামাজিক ও রাজনৈতিক সবক্ষেত্রে ভঙ্গুর অবস্থায় ছিল। যুবকদের এবং সব ধরনের মানুষের হাতে তখন অস্ত্রের ঝনঝনানী। স্বাধীন হওয়া একটা দেশের যে অবস্থা হয়ে থাকে সেটাই হয়েছে। সবাই তখন নেতা। অনেকে তখন ডাকাতি থেকে শুরু করে অনেক খারাপ কাজে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছিল। বঙ্গবন্ধু যখন দেশে ফেরত এসে দেশের হাল ধরলেন রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে, তখন এদেশকে কিভাবে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা যায় সেজন্য তিনি পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। এরই অংশ হিসেবে তিনি টগবগে তরুণ প্রজন্ম ও যুবক যারা ছিল তাদেরকে নিয়ে দেশ গঠন করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন। অর্থনৈতিক সামাজিক রাজনৈতিক সব ধরনের ব্যবস্থা নিলেন। শিক্ষিত যুবক যারা ছিলেন তাদেরকে বিভিন্নভাবে তিনি দেশের বাইরে পাঠালেন। বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে দিলেন পড়াশোনা করার জন্য। যুবকদের সচেতন করার জন্য অনেক ধরনের প্রকল্প হাতে নিলেন যুবকদেরকে বিদেশে পাঠানো হলো যাতে তারা সেখান থেকে পড়াশোনা করে এসে এই দেশের হাল ধরতে পারেন এবং দেশকে সুন্দরভাবে তারা গড়ে তুলতে পারেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার অর্জনের সাক্ষী হলেও তারা নিজেদের জীবনে স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। এটাই করা উচিৎ। নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঐতিহাসিক প্রতীকগুলির মধ্যে অভিন্ন রকমের সংজ্ঞা করে। তারা পূর্বের প্রজন্মের সংস্কৃতি, ইতিহাস, ও সম্প্রদায়ের সাথে সংগঠিত অনুষ্ঠানে অবদান রাখে। তাদের ভাষা, সাংস্কৃতিক পরিচয় ও গর্বের উৎসব বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি অপরিহার্য অংশ।

স্বাধীনতার চেতনা নিজেদের উন্নতির জন্য এবং দেশের উন্নতির ক্ষেত্রে প্রেরণা দেয়। এই প্রজন্ম স্বাধীনতার অর্জনে যে সমগ্র প্রযুক্তি, সামাজিক বিজ্ঞান, ও পরিবেশ বিজ্ঞানের সাথে যোগাযোগ রাখে, সেটি তাদের আরো দ্রুত প্রগতিতে উৎসাহিত করে। নতুন প্রজন্ম বাংলাদেশের উন্নতি ও উন্নতিশীল দৃষ্টিকোণের ক্ষেত্রে একটি মূল্যায়ন রাখে। তারা নিজেদের ক্ষমতা ও স্বাধীনতার বিকাশে মতিমুখী, উদার, এবং নিষ্ঠাবান। তারা নিজেদের এবং দেশের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং উন্নতিশীল বাংলাদেশের সমর্থন করে। এই নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার চেতনা ও অর্জনের অন্যত্র নজর ধারণ করে। তারা আগামীর জন্য আশা এবং স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে স্বাধীনতা ও সামাজিক উন্নতির সাথে একই পথে চলা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন গভীরভাবে দেশপ্রেমী এবং জনগণের কল্যাণে নিয়ে অগ্রগতির পথে প্রতিষ্ঠিত একজন নেতা ছিলেন। তিনি স্বতন্ত্র বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে একটি ভালো দিক বজায় রেখেছিলেন এবং তার নেতৃত্বে দেশটির উন্নতির দিকে অগ্রগতি হয়েছিল। তরুণ প্রজন্মের প্রতি তিনি বিশেষ আকর্ষিত ছিলেন এবং তাদের উন্নতি ও উন্নয়নের দিকে তার অত্যন্ত গভীর আগ্রহ ছিল। তার দরজা সব সময় তরুণ প্রজন্মের দিকে উল্লসিত ছিল এবং তাদের জন্য উন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য তিনি সকল প্রয়াস করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন দীর্ঘদিন দেশের স্বাধীনতা ও জনগণের কল্যাণে সঙ্গতির্ন্ধ যোদ্ধা ছিলেন। তিনি দেশের উন্নতি এবং তরুণ প্রজন্মের সুযোগ ও সম্ভাবনা নিয়ে অত্যন্ত গভীর চিন্তা করতেন। বঙ্গবন্ধুর ভাবনায় তরুণ প্রজন্ম দেশের ভবিষ্যৎ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণের দিকে গুরুত্ব দেন। তারা স্বাধীন, সক্রিয় এবং সুপ্ত প্রশাসনিক এবং সামাজিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন। তাদের মনোযোগ এবং নেতৃত্বে তরুণ প্রজন্ম দেশের উন্নতির পথে অগ্রগতি করতে সহায়ক। তারা নতুন দিকের প্রতি আগ্রহী এবং সুযোগ সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে এবং তাদের নিজস্ব আবিষ্কার ও প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের উন্নতি ও উন্নয়নে কোনো প্রতিবন্ধক না থাকে বলে বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন। তারা প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, ও আবাসন প্রদানের সুযোগ ও সুবিধা পেতে সক্ষম হওয়ার জন্য সমর্থ হতে পারে বলে তিনি মনে করতেন। এই ভাবনাই ছিলেন বঙ্গবন্ধুর যাতে তরুণ প্রজন্ম দেশের সমৃদ্ধির মূল চেষ্টা করে দেবে।

সবশেষে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে নিজেকে একটি অংশীদার হিসেবে মনে করে। তারা নিজেদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নিয়ে গর্ব করে, এবং স্বাধীনতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের মূল্যায়ন করে। এই নতুন প্রজন্মের মানুষরা আগামীর জন্য আশা এবং স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে স্বাধীনতা ও সামাজিক উন্নতির সাথে একই পথে চলা।

তিনি সবসময় বলতেন, তোমরা দেশে ফেরত আসবা এবং দেশের মাটিতে মাটিতেই বসবাস করবার এ দেশের মাটিকে ভালবাসবে এবং এ দেশের হাল ধরবা। এদেশের গরিব চাষ শ্রেণীর মানুষকে তোমরা ভালোবাসবা। সেই ধারাবাহিকতা বাস্তবায়ন করার জন্য তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা আবার এদেশের হাল ধরেছিলেন। এর মাধ্যমে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত করেন। ডিজিটাল থেকে এখন স্মার্ট বাংলাদেশের রূপান্তর করে বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের মানচিত্রকে উজ্জ্বল করেছেন। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল প্রকল্প থেকে শুরু করে রুপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রসহ নানা মেগা প্রকল্প গ্রহণ করে াতান বাংলাদেশকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন। তিনিও বর্তমান নতুন প্রজন্মের প্রতি আশাবাদী। নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে আরও এগিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করবে বলে বিশ্বাস।

লেখক: কলামিস্ট ও গবেষক।