ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবার বর্জন রাবির ৭ ছাত্র সংগঠনের

Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবার সর্বজনীন না করায় তা বর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল সাতটি ছাত্রসংগঠন।

রবিবার (২৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার আলিফ গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

যৌথ বিবৃতি দেওয়া ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন, ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক জান্নাতুল নাঈম, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান মুন্না, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারেক আশরাফ, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সমু চাকমা এবং ছাত্র গণমঞ্চের সমন্বয়ক নাসিম সরকার।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন শিক্ষার্থীদের থেকে সকল প্রকার উৎসব ফি আদায় করলেও উৎসবগুলোতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোনো প্রকার আগ্রহ নেই। তার ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে হল প্রশাসন আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করলেও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করেননি।

প্রশাসনের এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেতারা বলেন, প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক। সকল শিক্ষার্থীর খাবার নিশ্চিত না করে বৈষম্য তৈরী করা হয়েছে। তাই তারা স্বাধীনতা দিবসের খাবার বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছর ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর আবাসিক শিক্ষার্থীদের ৩০ টাকার বিনিময়ে বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও হল প্রশাসন বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছে। হল প্রশাসনের নোটিশে খাবার সর্বজনীন না করার পরিপ্রেক্ষিতে বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রগতিশীল সাতটি ছাত্র সংগঠন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবার বর্জন রাবির ৭ ছাত্র সংগঠনের

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলে স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ খাবার সর্বজনীন না করায় তা বর্জন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়াশীল সাতটি ছাত্রসংগঠন।

রবিবার (২৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার আলিফ গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।

যৌথ বিবৃতি দেওয়া ছাত্রসংগঠনগুলোর নেতারা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন, ছাত্র ইউনিয়নের আহ্বায়ক জান্নাতুল নাঈম, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মেহেদী হাসান মুন্না, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলনের আহ্বায়ক তারেক আশরাফ, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সমু চাকমা এবং ছাত্র গণমঞ্চের সমন্বয়ক নাসিম সরকার।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন শিক্ষার্থীদের থেকে সকল প্রকার উৎসব ফি আদায় করলেও উৎসবগুলোতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোনো প্রকার আগ্রহ নেই। তার ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে হল প্রশাসন আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করলেও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো খাবারের ব্যবস্থা করেননি।

প্রশাসনের এমন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেতারা বলেন, প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক। সকল শিক্ষার্থীর খাবার নিশ্চিত না করে বৈষম্য তৈরী করা হয়েছে। তাই তারা স্বাধীনতা দিবসের খাবার বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, প্রতি বছর ২৬ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর আবাসিক শিক্ষার্থীদের ৩০ টাকার বিনিময়ে বিশেষ খাবার দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও হল প্রশাসন বিশেষ খাবারের আয়োজন করেছে। হল প্রশাসনের নোটিশে খাবার সর্বজনীন না করার পরিপ্রেক্ষিতে বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রগতিশীল সাতটি ছাত্র সংগঠন।