ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পাবনাতেই দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

Spread the love

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাবনাতেই দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হবে। এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া খুব শিগগিরই স্যাটেলাইট দুই উৎক্ষেপণ করা হবে।

সোমবার (১১ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণা ছাড়া কোনো কিছুতেই উৎকর্ষ লাভ করা যায় না। গবেষণার বিষয়ে সরকার সবসময়ই আন্তরিক। ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথম প্রযুক্তি শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ। তাছাড়া বিজ্ঞানকে বঙ্গবন্ধুই বেশি গুরুত্ব দিতেন। ’৭৫ এর পর স্বৈরশাসকরা গবেষণায় গুরুত্ব দেয়নি।

তিনি বলেন, একেকটা দলের নীতি ও দেশপ্রেমের বিষয় থাকে। আওয়ামী লীগ সবসময় বিশ্বাস করে- নিজেরা করবো, কারও কাছে হাত পাতবো না। সরকারের মূল লক্ষ্য মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দেয়া। অনুদান ও ফেলোশিপের টাকা জনগণের। তাই গবেষণা যেন জনকল্যাণে কাজে লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান বলেন, এখন আমাদের লক্ষ্য স্মার্ট দেশ গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নির্ভর করি বিজ্ঞানীদের ওপর। বিজ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মধ্যদিয়েই দেশ এগিয়ে যাবে। এ সময় নারীদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অনূর্ধ্ব ১৬ দলকে ডেকে প্রাইজমানি দেয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে ৫৪ জনকে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ২৫ জনকে ন্যাশনাল সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ও ১৯ জনকে বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনাতেই দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪
Spread the love

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাবনাতেই দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র করা হবে। এখন থেকেই প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া খুব শিগগিরই স্যাটেলাইট দুই উৎক্ষেপণ করা হবে।

সোমবার (১১ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণা ছাড়া কোনো কিছুতেই উৎকর্ষ লাভ করা যায় না। গবেষণার বিষয়ে সরকার সবসময়ই আন্তরিক। ’৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রথম প্রযুক্তি শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগ। তাছাড়া বিজ্ঞানকে বঙ্গবন্ধুই বেশি গুরুত্ব দিতেন। ’৭৫ এর পর স্বৈরশাসকরা গবেষণায় গুরুত্ব দেয়নি।

তিনি বলেন, একেকটা দলের নীতি ও দেশপ্রেমের বিষয় থাকে। আওয়ামী লীগ সবসময় বিশ্বাস করে- নিজেরা করবো, কারও কাছে হাত পাতবো না। সরকারের মূল লক্ষ্য মানবসম্পদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক গবেষণায় বেশি গুরুত্ব দেয়া। অনুদান ও ফেলোশিপের টাকা জনগণের। তাই গবেষণা যেন জনকল্যাণে কাজে লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

সরকারপ্রধান বলেন, এখন আমাদের লক্ষ্য স্মার্ট দেশ গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি নির্ভর করি বিজ্ঞানীদের ওপর। বিজ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মধ্যদিয়েই দেশ এগিয়ে যাবে। এ সময় নারীদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় অনূর্ধ্ব ১৬ দলকে ডেকে প্রাইজমানি দেয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে ৫৪ জনকে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ২৫ জনকে ন্যাশনাল সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ও ১৯ জনকে বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়।