ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা: বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি

  • রাবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
  • ৫২৮ বার পড়া হয়েছে
Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। যেসব ভোগান্তির কারণে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক উভয়কেই সম্মুখীন হতে হয়েছে শারীরিক ও মানসিক চাপের।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগ, আবাসন সংকট, যাতায়াত সমস্যা, যানবাহনের বাড়তি ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন তারা। তারা বলছেন, ঢাবি ও চবির মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে নেওয়া হলে আবাসনের সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন তারা। একই সঙ্গে অভিভাবকেরা আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী হবেন এবং তাদের সময়ের অপচয়ও রোধ হবে। এছাড়া পরীক্ষার্থীরাও মানসিক চাপ মুক্ত ও শারীরিকভাবে সুস্থ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। যা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের জন্যই স্বস্তির।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বললে এ তারা এসব অভিযোগ করেন।

সিলেট থেকে রাজশাহীতে ছেলেকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে আসেন জাহাঙ্গীর আলম নামক একজন শিক্ষক। তিনি বলেন, ছেলেকে অনেক দূর থেকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে এসেছি। ভালো হোটেল না পাওয়ায় ছেলে সহ আবাসিক হলে থেকেছি। যানবাহনে দ্বিগুন ভাড়া নিচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ঢাবির মত বিভাগীয় পর্যায়ে হলে আমরা এসব ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাব। এমনকি যদি সব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিলে বেশি সুবিধা হতো।

ফরিদপুর থেকে জাহিদ ইসলাম ও তার স্ত্রী তাদের মেয়েকে নিয়ে গতকাল রাজশাহীতে এসেছেন। এখানে তাদের কোনো আত্মীয় না থাকায় আবাসন সংকটে ভুগতে হয়েছে। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে থাকার মত কোনো জায়গা না পেয়ে আমরা বানেশ্বরে একটি আবাসিক হোটেলে ৭০০ করে ভাড়া দিয়ে থাকতে হয়েছে। সেখানে থাকার মত তেমন ভালো পরিবেশ ছিলো না। সে অনুযায়ী ভাড়া অনেক বেশি নেয়া হয়েছে।

যানবাহনের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, ট্রেনের টিকিট প্রথমে না পাওয়ায় আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। পরে বাসে রাজশাহীতে আসি। এছাড়াও ক্যাম্পাসের বাইরের হোটেলগুলোতে তুলনামূলক খাবারের দাম একটু বেশি নিচ্ছে।

পরীক্ষার ভোগান্তির ব্যাপারে জানতে চাইলে তাদের মেয়ে জয়িতা ফয়সাল বলেন, এরকম পরিস্থিতিতে পরীক্ষার কক্ষে এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে। এমনকি পরীক্ষার জন্য মানসিক প্রস্তুতি কমে যায়। একারনে আশানুরূপ পরীক্ষা ভালো হয় না। রাবির ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে নিলে আমাদের এরকম ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।

দেশের ডাক/প্রান্ত কুমার দাশ/রাবি

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভোগান্তি

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা: বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
Spread the love

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। যেসব ভোগান্তির কারণে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক উভয়কেই সম্মুখীন হতে হয়েছে শারীরিক ও মানসিক চাপের।

ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগ, আবাসন সংকট, যাতায়াত সমস্যা, যানবাহনের বাড়তি ভাড়া আদায়সহ বিভিন্ন ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন তারা। তারা বলছেন, ঢাবি ও চবির মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় শহরে নেওয়া হলে আবাসনের সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন তারা। একই সঙ্গে অভিভাবকেরা আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী হবেন এবং তাদের সময়ের অপচয়ও রোধ হবে। এছাড়া পরীক্ষার্থীরাও মানসিক চাপ মুক্ত ও শারীরিকভাবে সুস্থ থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। যা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়ের জন্যই স্বস্তির।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বললে এ তারা এসব অভিযোগ করেন।

সিলেট থেকে রাজশাহীতে ছেলেকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে আসেন জাহাঙ্গীর আলম নামক একজন শিক্ষক। তিনি বলেন, ছেলেকে অনেক দূর থেকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে এসেছি। ভালো হোটেল না পাওয়ায় ছেলে সহ আবাসিক হলে থেকেছি। যানবাহনে দ্বিগুন ভাড়া নিচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ঢাবির মত বিভাগীয় পর্যায়ে হলে আমরা এসব ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাব। এমনকি যদি সব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিলে বেশি সুবিধা হতো।

ফরিদপুর থেকে জাহিদ ইসলাম ও তার স্ত্রী তাদের মেয়েকে নিয়ে গতকাল রাজশাহীতে এসেছেন। এখানে তাদের কোনো আত্মীয় না থাকায় আবাসন সংকটে ভুগতে হয়েছে। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে থাকার মত কোনো জায়গা না পেয়ে আমরা বানেশ্বরে একটি আবাসিক হোটেলে ৭০০ করে ভাড়া দিয়ে থাকতে হয়েছে। সেখানে থাকার মত তেমন ভালো পরিবেশ ছিলো না। সে অনুযায়ী ভাড়া অনেক বেশি নেয়া হয়েছে।

যানবাহনের ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তারা আরও বলেন, ট্রেনের টিকিট প্রথমে না পাওয়ায় আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। পরে বাসে রাজশাহীতে আসি। এছাড়াও ক্যাম্পাসের বাইরের হোটেলগুলোতে তুলনামূলক খাবারের দাম একটু বেশি নিচ্ছে।

পরীক্ষার ভোগান্তির ব্যাপারে জানতে চাইলে তাদের মেয়ে জয়িতা ফয়সাল বলেন, এরকম পরিস্থিতিতে পরীক্ষার কক্ষে এক ধরনের অস্থিরতা কাজ করে। এমনকি পরীক্ষার জন্য মানসিক প্রস্তুতি কমে যায়। একারনে আশানুরূপ পরীক্ষা ভালো হয় না। রাবির ভর্তি পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে নিলে আমাদের এরকম ভোগান্তিতে পড়তে হতো না।

দেশের ডাক/প্রান্ত কুমার দাশ/রাবি